দুষ্কৃতীদের কোনও জাত হয়না, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 19 May 2018

দুষ্কৃতীদের কোনও জাত হয়না, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু


চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম থানার গোপালপুর ৩৩ নং বুথে ভোটের দিন ভোট লুঠ করতে এসে বোমাবাজি ও গুলি চালায় দুস্কৃতিকারীদের গুলিতে প্রান যায় দুজনের। রিপোল ও হয় আর মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন।কথাও রাখলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের দিন দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন সিপিএম সমর্থক অপু মান্না ও যজ্ঞেশ্বর ঘোষ।

গত সোমবার নির্বাচন চলা কালীন বোমার ঘায়ে মৃত্যু হয়েছিল নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের গোপালপুর গ্রামের দুই সিপিএম কর্মীর।


শনিবার সেই মৃতদের পরিবার-এর হাতেই ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য এবং একজন করে চাকরীর নিয়োগপত্র তুলে দিলেন পরিবহন মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।


এই দুই মৃত ব্যক্তি এলাকায় বাম সমর্থক বলে পরিচিত হলেও শুভেন্দুবাবুর সাফ বক্তব্য, তিনি নন্দীগ্রামের সব মানুষের বিধায়ক। তাই মৃতদের পরিবাকে সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন বলে এদিন মন্তব্য করেন।

 শুনে নিন

প্রসঙ্গতঃ গত সোমবার নির্বাচন চলা কালীন নন্দীগ্রাম ২নং ব্লকের খোদামবাড়ি গোপালপুর বুথে বোমার ঘায়ে মৃত্যু হয় দুই সিপিএম কর্মী যজ্ঞেশ্বর ঘোষ (৬৫) এবংবিশ্বজিৎ মান্না (৩০)।


স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ ছিল, ভোট লুঠ করতে আসা বাইক বাহিনীর ছোঁড়া বোমের ঘায়েই এই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে দাবী জানিয়েছিলেন বোমা বাঁধতে গিয়েই এই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই দুই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


তবে ভোট মিটতেই শনিবার বিকেল নাগাদ দুই মৃতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি দুই মৃতের পরিবারে গিয়ে তাঁদের হাতে ৫ লক্ষ টাকা করে তুলে দেন। সেই সঙ্গে মৃত বিশ্বজিৎ মান্নার স্ত্রী জয়ন্তী মান্না এবং যজ্ঞেশ্বরবাবুর ছেলে সঞ্জয়ের হাতে চাকরীর নিয়োগপত্র তুলে দেন। নন্দীগ্রাম -টেঙ্গুয়া মার্কেটিং সোসাইটির স্থানীয় শাখায় তাঁদের কাজে নিয়োগ করা হল।


শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি নন্দীগ্রামের সমস্ত মানুষের বিধায়ক। তাই তিনি সমস্ত মানুষের পাশেই দাঁড়াবেন। তাঁর মতে, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। সরকারের তরফে এই মৃতদের পরিবারে সাহায্যের প্রক্রিয়া চলবে। তবে তার আগেই তিনি সতীশ সামন্ত কল্যান তহবিল থেকে দুই পরিবারের হাতে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ তুলে দিয়েছেন।


এছাড়াও সরকারী প্রকল্পে তাঁদের যাতে বাড়ি বানিয়ে দেওয়া যায় তাও দেখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এরই পাশাপাশি তাঁর উক্তি, দুষ্কৃতীকারীদের কোনও জাত হয়না। তাই পুলিশ এই ঘটনার মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এই মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad