মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগনা: দুষ্কৃতিদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হলেন দুই তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রামনগর থানার অন্তর্গত কুশবেরিয়া। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন সাদ্দাম পাইক ও সফিনুর সেখ। দুটি বাইকে চেপে ছয়জন দুষ্কৃতি আচমকা এসে গুলি চালায় সাদ্দামকে লক্ষ্য করে। গুলি সাদ্দামের হাত ফুঁড়ে গিয়ে লাগে সফিনুরের গায়ে। এরপর প্রান বাঁচাতে মাঠের মধ্যে দিয়ে ছুটে পালিয়ে যায় আহত এই দুই তৃণমূল কর্মী। কয়েকমাস আগে সাদ্দামের বাবা এসফার পাইককে ও একই জায়গায় গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনার সাক্ষী ছিল সাদ্দাম নিজে। আর সেই কারনেই তাকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতিদের এমনটান মনে করা হচ্ছে। রাতে গুরুতর জখম অবস্থায় দুজনকেই ভর্তি করা হয়ে ডায়মন্ড হারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রামনগর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগনা: দুষ্কৃতিদের হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হলেন দুই তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রামনগর থানার অন্তর্গত কুশবেরিয়া। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন সাদ্দাম পাইক ও সফিনুর সেখ। দুটি বাইকে চেপে ছয়জন দুষ্কৃতি আচমকা এসে গুলি চালায় সাদ্দামকে লক্ষ্য করে। গুলি সাদ্দামের হাত ফুঁড়ে গিয়ে লাগে সফিনুরের গায়ে। এরপর প্রান বাঁচাতে মাঠের মধ্যে দিয়ে ছুটে পালিয়ে যায় আহত এই দুই তৃণমূল কর্মী। কয়েকমাস আগে সাদ্দামের বাবা এসফার পাইককে ও একই জায়গায় গুলি করে খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনার সাক্ষী ছিল সাদ্দাম নিজে। আর সেই কারনেই তাকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতিদের এমনটান মনে করা হচ্ছে। রাতে গুরুতর জখম অবস্থায় দুজনকেই ভর্তি করা হয়ে ডায়মন্ড হারবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। খবর পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রামনগর থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

No comments:
Post a Comment