আসানসোল: দরজায় লেখা, দয়া করিয়া কেউ সান্তনা দিতে আসিবেন না। মনে একরাশ ক্ষোভ দলীয় নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে। নির্দল প্রার্থীকে জেতা বার অভিযোগ এই নিয়ে সরগরম জামুরিয়া পঞ্চায়েত সমিতির চিচুড়িয়া গ্রাম ।তাই অভিমানে লেখা দয়া করিয়া কেউ সান্ত্বনা দিতে আসবেন না। চিচুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে দশটি সংসদ।
তারমধ্যে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল কংগ্রেস সাতটি সংসদে আগেই জয়ী হয়ে গেছে ।তিনটি সংসদ সিদ্ধপুর চকতুলসি ও চিচুড়িয়া গ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ।বাকি দুই সংসদে তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীরা জিতে গেলেও চিচুড়িয়া গ্রামে বিদায়ী পঞ্চায়েত প্রধান চামিলি কুন্ডু নির্দল প্রার্থী অনিন্দিতা চক্রবর্তীর কাছে ১৮৮ ভোটে হেরে যায।
চামিলি কুন্ডু সহ তৃণমূলের একাংশের দাবি তৃণমূলের একটা অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে চামিলি কুণ্ডুকে হারিয়েছে। চামেলি কুন্ডুর অভিযোগ তার আমলে পঞ্চায়েতে কোনরকম দুর্নীতি হতে দেননি ।এর ফলে দলের কিছু নেতা তার বিরুদ্ধে চলে যায় ।যার ফলস্বরূপ মানুষ চাইলেও তাকে হারতে হয়। তাই তৃণমূল নেতারা যাতে তার বাড়িতে এসে কোনভাবে সান্ত্বনা দিতে না পারে এর জন্য তিনি দরজায় লিখে রেখেছেন।
অপরদিকে চামেলী কুন্ডু স্বামী তথা তৃণমূল নেতা রথিন কুন্ডু সরাসরি অঞ্চল নেতা বিশ্বনাথ সা্ঙ্গুই সহ আরো কিছু নেতার দিকে আঙুল তুলেছেন । তার অভিযোগ তাকে বদনাম করার জন্য তৃণমূল পরিকল্পনা ভাবে ষড়যন্ত্র করেছে। যদিও অঞ্চল সভাপতি বিশ্বনাথ সাঙ্গুই এই অভিযোগকে হতাশাগ্রস্থ থেকে করছেন বলে দাবি।



No comments:
Post a Comment