মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। ছুটির দিন। পাশাপাশি আজ কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী মান্না দে'র জন্মদিন।
বেঁচে থাকলে ৯৮ পেরিয়ে ৯৯-এ পা দিতেন তিনি। তবে জগতের মায়া কাটিয়েছেন ৯৪ বছরেই। কিন্তু মান্না দে-র মায়া কাটাতে পারেনি গোটা দেশের সংগীতপ্রেমিরা। বাঙালির তো প্রশ্নই ওঠে না। তাই জন্মদিনে বিভিন্ন জায়গায় চলছে মান্না-কে স্মরণ। প্রবাদপ্রতীম শিল্পীর স্মৃতিচারণায় মগ্ন গুণমুগ্ধরা।
উত্তর কলকাতার ছেলের শিল্পী হয়ে ওঠার গল্প জানা নেই এমন বাঙালি বিরল। কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দে-র তালিমে কিভাবে স্কটিশ চার্চ কলেজের এই ছাত্র গোটা দেশবাসীর মন জয় করলেন তা এখনো এক কাহিনী। কিন্তু মান্না দের জীবনের অনেক তথ্য ও পরিসংখ্যানই এখনো অজানা। জন্মদিনে তেমনই ১০টি মজাদার তথ্য:
১. মান্না দে-র আসল নাম প্রবোধ চন্দ্র দে। কিন্তু সংগীত জগতে মান্না দে নামেই বিখ্যাত হন তিনি। মান্না দে-র বাবা পূর্ণচন্দ্র দে ও মা মহামায়া দেবী।
২. মান্না দের সম্ভবত সব থেকে জনপ্রিয় গান ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা’ শুনে অনেকেই স্মৃতিমেদুরতায় ভোগেন। কিন্তু সত্যি বলতে কফি হাউজ়ে বোধ হয় জীবনে কোনও দিনই আড্ডা দেওয়া হয়নি মান্না দের। যে বছর কফি হাউজ় চালু হয় সেই ১৯৪২ সালে বম্বে চলে গিয়েছিলেন মান্না দে। তার পরটা তো ইতিহাস।
৩. তার পরের বছরই কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দের সংগীত পরিচালনায় ‘তামান্না’ সিনেমায় সুরাইয়ার সঙ্গে ডুয়েট গান মান্না দে। সেই প্রথম হিট। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি মান্না দে।
৪. মান্নাদের স্ত্রী সুলোচনা কুমারণ ২০১২ সালে প্রয়াত হন। দম্পতির দুই কন্যা রয়েছেন। সুরমা ও সুমিতা।
৫. সমকালীন শিল্পী মহম্মদ রফির সঙ্গে প্রচণ্ড প্রতিযোগিতা থালকেও একসঙ্গে ৫৮টি ডুয়েট গেয়েছেন তাঁরা।
৬. লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে ১১৩টি ডুয়েট গেয়েছেন মান্না দে। যার প্রায় সবক’টিই সুপারহিট।
৭. আশা ভোঁসলে ও মান্না দের ডুয়েটের সংখ্যা ১০০
৮. কিশোর কুমারের সঙ্গে ‘শোলে’-র ‘ইয়ে দোস্তি’ ও ‘পড়োসন’-এর ‘এক চতুর নার’ এখনো সমান জনপ্রিয়
৯. ২০০৫ সালে আত্মজীবনী প্রকাশ করেন মান্না দে। নাম ‘জীবনের জলসাঘরে’।
১০. মান্না দে মনে করতেন, রাজেশ খান্নার লিপে সব থেকে মানায় তাঁর কণ্ঠ।
সূত্র: ইন্ডিয়া



No comments:
Post a Comment