নিজস্ব সংবাদদাতা : শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ জয়ের আনন্দে চওড়া হল বিরাট কোহলির মুখের হাসি। জমজমাট লড়াইয়ে মুম্বইকে রানে হারিয়ে ম্যাচ জিতল আরসিবি।
ঘরের মাঠে এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ব্যাঙ্গালোর। পাওয়ার প্লে তে এদিন প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে তারা হারায় ওপেনার ডি ককের উইকেট। তবে ম্যাককালামের সাথে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান আরেক ওপেনার মনন ভোরা। ব্যাক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় এল বি ডব্লিউ হয়ে আউট হন তিনি। দলের রান তখন ৬১। এরপরে দলের হাল ধরেন ম্যাককালাম-কোহলি
জুটি। পান্ডিয়ার এক ওভারে ১৯ রানে ম্যাচে ফেরে বেঙ্গালুরু। ১৪.৩ ওভারে দলের ১২১ রানের মাথায় বিরাটের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন ব্রান্ডান ম্যাককালাম।
তবে ভালো শুরু করে ফের ব্যর্থ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে মনদীপ সিং ক্যাচ তুলে ফিরে যাওয়ার পরের বলেই শিশুসুলভ ক্যাচ তুলে আউট বিরাট কোহলি। ১৮ তম ওভারে পান্ডিয়ার তৃতীয় শিকার ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষের দিকে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় রান তুলতে ব্যর্থ বেঙ্গালুরু। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ব্যাঙ্গালোরের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৬৭।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে মুম্বই। প্রথম ওভারে টিম সাউদির বলে আউট ওপেনার হিসাবে মাঠে নামা ইশান কিষান। ম্যাচের চতুর্থ ওভারে প্রথম দুই বলে উমেশ যাদবের শিকার সূর্য কুমার যাদব এবং রোহিত শর্মা। তিন উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছে মুম্বই, তখন দলের হাল ধরেন ডুমিনি এবং হার্দিক পান্ডিয়া। উমেশের দুরন্ত থ্রোতে আউট হয়ে যখন প্যাভিলিয়নের পথে ডুমিনি, তখন দলের রান ৮৪। এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ পোলার্ড। ম্যাচের শেষের দিকে দলকে টানার চেষ্টা করেন দুই পান্ডিয়া ভাই। ক্রনাল পান্ডিয়া আউট হবার পরের ওভারে আউট হার্দিক। কিন্তু তার লড়াই শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখাতে ব্যর্থ হয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। ১৬৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৫৩ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১৪ রানে ম্যাচ জিতে স্বভাবতই দারুন খুশি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর।
ঘরের মাঠে এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ব্যাঙ্গালোর। পাওয়ার প্লে তে এদিন প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে তারা হারায় ওপেনার ডি ককের উইকেট। তবে ম্যাককালামের সাথে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান আরেক ওপেনার মনন ভোরা। ব্যাক্তিগত ৪৫ রানের মাথায় এল বি ডব্লিউ হয়ে আউট হন তিনি। দলের রান তখন ৬১। এরপরে দলের হাল ধরেন ম্যাককালাম-কোহলি
জুটি। পান্ডিয়ার এক ওভারে ১৯ রানে ম্যাচে ফেরে বেঙ্গালুরু। ১৪.৩ ওভারে দলের ১২১ রানের মাথায় বিরাটের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন ব্রান্ডান ম্যাককালাম।
তবে ভালো শুরু করে ফের ব্যর্থ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে মনদীপ সিং ক্যাচ তুলে ফিরে যাওয়ার পরের বলেই শিশুসুলভ ক্যাচ তুলে আউট বিরাট কোহলি। ১৮ তম ওভারে পান্ডিয়ার তৃতীয় শিকার ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষের দিকে ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় রান তুলতে ব্যর্থ বেঙ্গালুরু। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ব্যাঙ্গালোরের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১৬৭।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে মুম্বই। প্রথম ওভারে টিম সাউদির বলে আউট ওপেনার হিসাবে মাঠে নামা ইশান কিষান। ম্যাচের চতুর্থ ওভারে প্রথম দুই বলে উমেশ যাদবের শিকার সূর্য কুমার যাদব এবং রোহিত শর্মা। তিন উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছে মুম্বই, তখন দলের হাল ধরেন ডুমিনি এবং হার্দিক পান্ডিয়া। উমেশের দুরন্ত থ্রোতে আউট হয়ে যখন প্যাভিলিয়নের পথে ডুমিনি, তখন দলের রান ৮৪। এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ পোলার্ড। ম্যাচের শেষের দিকে দলকে টানার চেষ্টা করেন দুই পান্ডিয়া ভাই। ক্রনাল পান্ডিয়া আউট হবার পরের ওভারে আউট হার্দিক। কিন্তু তার লড়াই শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখাতে ব্যর্থ হয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। ১৬৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৫৩ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১৪ রানে ম্যাচ জিতে স্বভাবতই দারুন খুশি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর।

No comments:
Post a Comment