হুগলি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শান্তুনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা
পরিষদের প্রার্থীপদ বাতিলের দাবীতে একটি অভিযোগ পত্র জমা পড়ল তারকেশ্বর ব্লকের
পঞ্চায়েতের রিটানিং তথা বিডিওর কাছে। সোমবার দুপুরে এই অভিযোগ পত্রটি জমা দেন
বিজেপির পাক্সু মোর্চার রাজ্য সম্পাদক তথা তারকেশ্বর ব্লকের বিজেপি নেতা গনেশ
চক্রবর্তী। তার অভিযোগ, তৃণমূলের হুগলি জেলার যুব সভাপতি শান্তুনু বন্দ্যোপাধ্যায়
রাজ্য বিদ্যূৎ বন্টন কোম্পানির জিরাট শাঁখায় কর্মরত একজন সরকারী কর্মচারী।
এই বিষয়ে বিজেপি নেতা গনেশ চক্রবর্তী অভিযোগ করে বলেন, সরকারী কর্মচারীদের
নিয়মনীতি না মেনে তারকেশ্বর জেলা পরিষদের ৩৪ নম্বর আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেন। এবং
অন্যান্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করিয়ে দেওয়ায়
ঘটনায় তিনি এক তরফা ভাবে জয়ী হন। একজন সরকারী কর্মী হয়ে
তিনি ভোটে নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে তিনি তার সরকারী পদ থেকে পদত্যাগ না করে তিনি
কিভাবে ভোটে নমিনেশন জমা দিলেন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে সরকারী ও রাজনৈতিক মহলে
ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, কোনও ভোটে নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে সেই ব্যক্তি যদি সরকারী
কর্মী হন তবে তার সরকারী পদ থেকে আগে তাকে পদত্যাগ করার প্রয়োজন। তারপর তিনি ভোটে নমিনেশন জমা করতে
পাড়েন।
এই প্রসঙ্গে চন্দননগরের এসডিও সানা আখতার বলেন, শান্তুনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে
কোনও সারটিফিকেট ইসু করা হয়নি। যদিও এই বিষয়ে এখন আমার কাছে কোনও অভিযোগ পত্র
আসেনি। আসলে বিষয়টি দেখে নেব। এই বিষয়ে জানতে শান্তুনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করা
হলে তিনি ফোন ধরেননি। এসএমএসের তিনি কোনও উত্তর দেননি। যদিও এই বিষয়ে তৃণমূলের কার্যকরি
সভাপতি প্রবীর ঘোষাল বলেন, আমি যতদুর শুনেছি শান্তুনু বাবু একটা অনুমতি নিয়েছেন।
এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।
এই বিষয়ে হাইকোর্টের আইনজীবী দীপ্তব্রত বটব্যাল বলেন, প্রশাসনিক সমস্যা
শান্তুনু বাবু কিছু একটা ঘটয়েছেন। সেই কারনে, দুই-চারদিন আগে বিষয়টি হাইকোর্টের
নজরে নিয়ে এসে তিনি একটি স্বত:প্রনদিত
ভাবে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা বিষয়টির উপর নজর রাখছি। প্রয়োজনে আমার মক্কেল
তার বক্তব্য আদালতে জানাবেন।


No comments:
Post a Comment