“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ভয় পাচ্ছেন। তাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমাকে খুন করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।” আজ কোচবিহারের পুণ্ডিবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুললেন BJP নেতা মুকুল রায়। পাশাপাশি তিনি কোচবিহারের পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন।পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে আজ কোচবিহারে আসেন মুকুলবাবু। পুণ্ডিবাড়িতে সভা করেন। পরে তিনি কোচবিহারের পুলিশ সুপার ভোলানাথ পান্ডের উদ্দেশে তোপ দাগেন, “আপনি পঞ্চায়েত ভোটে রবিবাবুকে(জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ) পার করতে পারবেন। কিন্তু, লোকসভা ভোটে আপনি থাকবেন না। সেই বাঁশিও থাকবে না, সেই বাঁশরিও বাজবে না। এব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে গেলাম।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফোন করে তাঁদের প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছেন।
পুলিশকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আর ৬ মাস। তার পর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এই বিষয়গুলি দেখাশোনা করবে। আপনারা কেউ তখন পদে থাকবেন না। এভাবে পঞ্চায়েত ভোট পার করে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হতে পারেন, কিন্তু ভারতীয় গণতন্ত্রের গায়ে যে কালি লেপন করলেন তা আপনাদের গা থেকে মুছবে না।”
পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নপর্বে শাসকদলের পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একবার নয়, বারবার এই অভিযোগ উঠেছে। আবার গতকাল কোচবিহারের গীতালদহে তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষে আক্রান্ত হয়েছে পুলিশ। এপ্রসঙ্গে মুকুলবাবুর মন্তব্য, “বাংলায় পুলিশ তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রীতদাস। এখন তো শুধু মার খাচ্ছে। এরপর বাড়িতে চাকরের কাজ করবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সভা থাকলে অনুমতি বাতিল করা হচ্ছে। যে রাজ্য বিরোধী দলকে সভা-সমিতির অনুমতি দিতে পারে না, তার সরকারে বসে থাকার অধিকার নেই।”
সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার পর তিনি মাথাভাঙার একটি সভায় যোগ দেন।

No comments:
Post a Comment