মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: লরির ধাক্কায় আহত হলেন দুই বাইক আরোহী। তাদের মধ্যে পূর্ণিমা দে নামের এক মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার বিকালে সুভাষগ্রাম রোডের ঘটনা। এই ঘটনার জেরে লরিতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ। তবে চালক ও খালাসি পলাতক। স্থানীয় মানুষ সূত্রে জানা গেছে, সুভাষগ্রামের দিক থেকে মোটর বাইকে করে সাউথ গড়িয়ার দিকে যাচ্ছিলেন দুই বাইক আরোহী। তাদের মধ্যে একজন মহিলা ছিলেন। উল্টোদিক থেকে অর্থাৎ সাউথ গড়িয়ার দিক থেকে একটি মাটির লরি আসছিল সুভাষগ্রামের দিকে। আচমকাই ওই লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকে ধাক্কা মারে। তাতেই বাইক আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। লরি চালক ও খালাসি লরি ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এলাকার মানুষ আহতদের প্রথমে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে এবং পরে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যান। উত্তেজিত এলাকার মানুষ বেপরোয়া মাটির লরি চালানোর প্রতিবাদে। ওই লরিতে আগুন ধরিয়ে দেন। দমকলের দুই ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নেভান হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, লরির চালক ও খালাসির খোঁজ চলছে।
মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: লরির ধাক্কায় আহত হলেন দুই বাইক আরোহী। তাদের মধ্যে পূর্ণিমা দে নামের এক মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার বিকালে সুভাষগ্রাম রোডের ঘটনা। এই ঘটনার জেরে লরিতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ। তবে চালক ও খালাসি পলাতক। স্থানীয় মানুষ সূত্রে জানা গেছে, সুভাষগ্রামের দিক থেকে মোটর বাইকে করে সাউথ গড়িয়ার দিকে যাচ্ছিলেন দুই বাইক আরোহী। তাদের মধ্যে একজন মহিলা ছিলেন। উল্টোদিক থেকে অর্থাৎ সাউথ গড়িয়ার দিক থেকে একটি মাটির লরি আসছিল সুভাষগ্রামের দিকে। আচমকাই ওই লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকে ধাক্কা মারে। তাতেই বাইক আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। লরি চালক ও খালাসি লরি ফেলে রেখে পালিয়ে যান। এলাকার মানুষ আহতদের প্রথমে সুভাষগ্রাম হাসপাতালে এবং পরে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যান। উত্তেজিত এলাকার মানুষ বেপরোয়া মাটির লরি চালানোর প্রতিবাদে। ওই লরিতে আগুন ধরিয়ে দেন। দমকলের দুই ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নেভান হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, লরির চালক ও খালাসির খোঁজ চলছে।

No comments:
Post a Comment