সামনে খোলা রয়েছে বই। কারও কারও সামনে রাখা রয়েছে মোবাইলও। আর ছোটো বেঞ্চে গাদাগাদি করে বসে নিশ্চিন্তে লিখে চলেছে তারা। একের পর এক প্রশ্নের উত্তর ঝটপট লিখে ভরিয়ে দিচ্ছে পাতা। এ ছবি বিহারের মুজফফরপুরের লঙ্গত সিং কলেজের সেকেন্ড ইয়ারের সাইকোলজি পরীক্ষার।
ছোটো ছোটো বেঞ্চে তিনজন করে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। সামনে বই খোলা। আর তা দেখেই লিখে চলেছে তারা। পরীক্ষা হলে এক-দু’জনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেলেও তাদের বাধা দিতে দেখা গেল না কাউকেই। তাই একের পর এক প্রশ্নের উত্তর লিখে ফেলছে হাসিমুখেই। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই বিভিন্ন মহলে শুরু হয় সমালোচনা। তবে জেলা প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। বিহারের পরীক্ষা নিয়ামক ওপি রামনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীও।
তবে এসব নতুন নয় বিহারে। এর আগেও এরকম একাধিক ছবি সামনে এসেছে। ২০১৬-য় বিহারে ইন্ডারমিডিয়েট পরীক্ষার রেজ়াল্ট বেরোনোর পর থেকেই চর্চায় উঠে এসেছিল রুবি রাইয়ের নাম। জালিয়াতি করে আর্টস টপার হওয়ার জন্যই বেশি আলোচিত হয়েছে সে। ক্লাস টুয়েলভ পরীক্ষায় আর্টস বিভাগে প্রথম হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে ইন্টারভিউ দেন রুবি রাই। তাতেই ফাঁস হয় কেলেঙ্কারির পর্দা। সাক্ষাৎকারে পলিটিক্যাল সায়েন্সকে বলেছিলেন, প্রোডিক্যাল সায়েন্স। আবার বলেছিলেন পলিটিক্যাল সায়েন্সে নাকি শেখানো হয় রান্নাবান্না। পরে রুবি রাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment