রাজ্য পুলিশকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ শুধু বিজেপি-র নামে কেস করতে পারে। তারা আর কিছুই করতে পারে না। কোনও গুন্ডার গায়ে হাতও দিতে পারে না। পুলিশ যত খুশি কেস করুক। এর আগেও অনেকের বিরুদ্ধে কেস করা হয়েছে। আর আমার নামে তো রোজই কেস হচ্ছে। ওই কেস রাজনৈতিক। তার পরোয়া করি না। কোর্টে এর উত্তর আমরা দিয়ে দেব।”
তিনি আরও বলেন, “সব SP-রা তৃণমূলের জেলা সভাপতির কাজ করছে। সব IC ও OC-রা মণ্ডল সভাপতির কাজ করছে। আর সিভিক ভলান্টিয়াররা তৃণমূলের ক্যাডার হিসেবে কাজ করছে। এভাবেই তৃণমূল চলছে। আর দিদিমণি এর উপরই ফুটানি মারছেন।”
পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় আমাদের বেশিরভাগ কর্মীকে নমিনেশন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। সাতদিন ধরে গুন্ডা দিয়ে BDO ও SDO অফিস ঘিরে রেখেছিল তৃণমূল। পুলিশের সামনে প্রকাশ্য রাস্তায় তারা বন্দুক হাতে নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছিল। সেই পুলিশ আবার তাদের সঙ্গে নেশার জিনিসও ভাগ করে খাচ্ছিল। এমনকী গ্লাসে জল ও মাল খাচ্ছিল। ৪২ শতাংশ লোক পঞ্চায়েতে ভোট দিতে পারেননি। এটা কী ধরনের গণতন্ত্র। এখানকার পুলিশ প্রশাসন এগুলো করাচ্ছে।”
প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “এবার BJP কর্মীদের উপর যদি কোনও অত্যাচার বা আক্রমণ হয় তাহলে এই সমাবেশ কিন্তু শান্তিপূর্ণ থাকবে না। DM অফিসের সামনে কোনও জমায়েত হবে না। প্রতিটি থানা, BDO ও SDO অফিস ঘেরাও করে বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা যে এটা করতে পারি সেটা দেখাতে এসেছি।”
এই সভায় দিলীপ ঘোষ ছাড়াও ছিলেন জয় ব্যানার্জি ও জেলা সভাপতি শমীক দাস। আজ বিক্ষোভ শেষে BJP-র তরফে জেলাশাসককে একটি ডেপুটেশনও দেওয়া হয়।

No comments:
Post a Comment