উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকার করল জলপাইগুড়ি
জেলা স্কুলের ছাত্র গ্রন্থন সেনগুপ্ত। প্রাপ্ত নম্বর ৯৯.২ শতাংশ। ইতিহাস নিয়ে
পড়তে চায় সে। হতে চায় প্রফেসর।
ফল প্রকাশের পর গ্রন্থন জানায়, “আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ভালো ফলের আশা করেছিলাম। সেটা যে এত ভালো হবে তা আশা ছিল না। এত ভালো রেজাল্ট করব ভাবতে পারিনি। আমি রেজাল্ট জানার পর আনন্দে মেঝেতে শুয়ে পড়েছিলাম। ভবিষ্যতে আমি ইতিহাস নিয়ে পড়তে চাই। প্রফেসর হতে চাই। সেই কারণে মাধ্যমিকের পর আমি কলা বিভাগে ভরতি হই। আমরাই ভাবতে পারি না যে আর্টস নিয়ে প্রথম হওয়া যায়। আমাদের ভাবতে হবে যে আমরাও আর্টস নিয়ে প্রথম হতে পারি। সিলেবাস সেই সুযোগ করে দিয়েছে।”
উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থান দখল করল তমলুকের হ্যামিলটন
হাইস্কুলের ছাত্র ঋত্বিক কুমার সাউ। প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.৬ শতাংশ। অভিন্ন ডাক্তারি
প্রবেশিকা পরীক্ষা বা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্টে (NEET) তার
র্যাঙ্ক ছিল ১৩। ডাক্তারি পড়ে কার্ডিয়াক সার্জেন হতে চায় সে।
২০১৬ সালে মাধ্যমিকে রাজ্যে ১৩ নম্বর স্থান পেয়েছিল ঋত্বিক। তমলুকের হ্যামিলটন স্কুলে বিজ্ঞান শাখায় ভর্তি হয়। KVPY- ২০১৭র ফেলোশিপ প্রাপক ঋত্বিকের স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়া। তাই NEET পরীক্ষায় বসা।
কামাক্ষ্যাগুড়ির শান্তিনগর এলাকায় রিদমের বাড়ি। বাবা নারায়ণ দাস প্রাইভেট টিউটর। অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়াশোনা করেই তার এই সাফল্য। দাদা সাগরদীপও মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় ঠাঁই পেয়েছিল। সে অষ্টম হয়েছিল।
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞানবিভাগের ছাত্র অর্ঘর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৩। বাড়ি ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। ফলাফল প্রসঙ্গে অর্ঘ বলে, “ মহারাজদের সাহায্য পেয়েছি। না হলে এত ভালো রেজ়াল্ট হত না। তবে একটা কথা বলব, ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফলাফল করা যায়।”
অর্ঘর পাশাপাশি নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আর এক কৃতী ছাত্র জয়েশ সাউ। এবার উচ্চমাধ্যমিকে দশম স্থানাধিকারী জয়েশ। নিজের ফলাফলে উচ্ছ্বসিত জয়েশের IIT-তে পড়ার ইচ্ছা আছে।

No comments:
Post a Comment