রেললাইনে যুগলের আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য চড়াল। বর্ধমান মেন
শাখায় ঘটনাটি ঘটেছে মগরা ও তালাণ্ডু স্টেশনের মাঝে। বুধবার ভোরে মৃতদেহ দুটি দেখতে
পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। ব্যান্ডেল জিআরপি এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া হাসপাতালে
পাঠিয়ে দেয়।
পুলিশ জানিয়েছেন,
মৃত যুবকের নাম যুগল দাস(২২) ও মহিলার নাম ঋত্বিকা রায়(৩০)। যুবকটি সিঙ্গুর আইটিআই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র। মৃতদের দু’জনেরই বাড়িই মগরা থানার সুকান্তপল্লি এলাকায়।
মৃত ওই মহিলা
বিবাহিত ছিলেন। ৭ বছর আগে মগরার নিখিল রায়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। স্বামী প্রাইমারি
স্কুলের শিক্ষক। তাঁদের ৫ বছরের ছেলেও আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩ বছর ধরে যুগল দাসের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল ঋত্বিকার। তাঁদের প্রেমের
সম্পর্ক জানতে পারে ঋত্বিকার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারপর থেকেই পরিবারে মাঝে মধ্যে
অশান্তি লেগে থাকত। সম্পর্কের কথা জেনে ফেললেও নিখিল ঋত্বিকাকে মেনে নিয়েছিল বলে
জানা গিয়েছে।
ঋত্বিকার শ্বশুরবাড়ি
সূত্রে জানা গিয়েছে, যুগলের সঙ্গে ঋত্বিকার যে সম্পর্ক ছিল সেটা ঋত্বিকা
স্বীকার করেছিল। এই ঘটনায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে শুধরে নেবার কথা বলেছিল। তাতে ঋত্বিকা
সম্মতিও জানিয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাজার যাবে বলে ওই মহিলা বাড়ি থেকে একটি
স্কুটি নিয়ে বেড়িয়ে যায়। এরপর রাত পর্যন্ত তার স্বামীর সঙ্গে ফোনে বেশ কয়েকবার
কথাও হয়। কিন্তু রাত ৮টার পর থেকে মোবাইল ফোনের সুইচ বন্ধ থাকায় তাদের স্বামী ও
স্ত্রীর মধ্যে কোনও কথা হয়নি।
বুধবার সকালে রেল
লাইন থেকে দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় পুলিশ জানিয়েছে, রেল লাইন থেকে দুটি
মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতদেহের পাশ থেকে একটি স্কুটি উদ্ধার হয়েছে। একটি
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।


No comments:
Post a Comment