জয়ন্ত সাহা, আসানসোল: আসানসোলের হিরাপুরের আই এস পি কারখানায় ঠিকাদারের অধীনে কাজ করে ভালোই চলছিল প্রসেনজিতের সংসার। দু বছরের পুত্র এবং আর এক শিশুকন্যাকে নিয়ে হাসি খুশি ছিল সংসার। কিন্তু ঠিকাদারী সংস্থার ঠিকা শেষ হবার পর প্রসেনজিৎ এর জীবনে কাল হয়ে নেমে এলো বন্ধুত্ব। ঐ সংস্থায় কাজ করার সময় বন্ধুত্ব হয়েছিল বাঁকুড়ার আলোক চক্রবর্তী আর তন্ময় চক্রবতী এর সাথে। কাজের সুযোগ দেয় তারা। কাজ দেবে বলে প্রসেনজিৎ সহ আরো তিন জনকে তারা নিয়ে যায় ভুটান। সেখানে নিয়ে গিয়ে পারো এলাকার পানবেজা গ্রামে নিয়ে যায় বলে খবর। কর্মক্ষেত্রে ঢুকিয়েও দেয় তাদের। তারপর পনেরো দিন পর হয়ে গেলেও কর্মক্ষেত্র থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি তাকে।
গৃহবন্দি করে চলছে ব্যাপক মারধর। লুকিয়ে লুকিয়ে ফোন করে স্ত্রী পিঙ্কি কে ঘটনার বিবরণ দিচ্ছে প্রসেনজিৎ। নিরুপায় প্রসেনজিৎ এর স্ত্রী ঘটনার বিবরণ দিয়ে আসানসোলের হিরাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। মহকুমাসসকের দরজায় খটখট করেছেন। অবশেষে সোমবার দুপুরে নিজের সন্তানদের নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসকের দফতরে। চোখের জলে পিঙ্কির আর্তনাদ "ফিরিয়ে দাও আমার স্বামীকে, ফিরিয়ে দাও "।


No comments:
Post a Comment