নিজস্ব সংবাদদাতা : আট দিন নিখোঁজ থাকার পর অভিযুক্তের বাড়ির পিছনের পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার দেহ । যদিও অভিযুক্ত মৃত, বাকিরা ধৃত । ঘটনার পূর্নাঙ্গ তদন্তে পুলিশ ।
ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগণার বাদুড়িয়া থানার পিঙ্গলেশ্বর গ্রাম। ঘটনার সূত্রপাত ঐ গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ভ্যানচালক অমরনাথ গায়েন (৫৮) গত ২৬ শে মে শনিবার দুপুরবেলা বসিরহাট জেলখানার মোড় থেকে লটারির টিকিট কিনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যায়। যানা যায় মৃত অমরনাথ গায়েন বাদুড়িয়া পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা । বাবা বাড়ি ফিরছে না দেখে ছেলে এলাকায় খোঁজাখুঁজি করার পর ঐদিন সন্ধ্যাবেলায় বাদুড়িয়া থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করে । বেশ কিছুদিন নিখোঁজ থাকার পর ছেলের বাবার পরিচিতদের উপর সন্দেহ বাড়তে থাকে । কয়েকদিন পর মৃতের ছেলে রথীন গায়েন বাবার পূর্ব পরিচিতদের বিরূদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে । নিখোঁজের গুরুত্ব এতই বেড়ে যায় যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কে.শবরী.রাজকুমারকে বিশাল পুলিশবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামতে হয় । ইতিমধ্যে পুলিশ এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে । তাদেরকে জেরা করে পুলিশ বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সহ মূল অভিযুক্ত সিমলা গ্রামের বাবলু মন্ডল এর নাম জানতে পারে । অমরনাথের কাছে থাকা প্রায় ১৪ লক্ষ টাকার লটারি হাতাতে বাবলু মন্ডল কিছু সঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে অমরনাথকে অপহরণ করে মেরে বাড়ির পিছনে পুকুরপাড়ে পুঁতে রাখে । ইতিমধ্যে বাবলু মন্ডল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ধান্যকুড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে মারা যায় । আজ শনিবার রাতভড় পুলিশ তল্লাশি চালানোর পর ভোররাতে মৃত বাবলু মন্ডলের বাড়ির পিছনে পুকুরপাড়ের বাগানের মাটি খুঁড়ে মৃত অমরনাথের দেহ উদ্ধার করে । দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায় । বাবার এই নির্মম মৃত্যুর জন্য অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবী জানিয়েছে মৃতের পরিবার ।

No comments:
Post a Comment