মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হলেই, ভাঙা পড়বে বহু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান! চিন্তিত ব্যবসায়ী মহল নামখানা সেতুর কাজ যত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, ততই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ নিতে শুরু করেছেন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের পরিমাপ সম্বন্ধে। কারণ ব্যবসায়ীরা নিশ্চিত নামখানা সেতুর কাজ শেষ হলেই, ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। আর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হলেই, ভাঙা পড়বে জাতীয় সড়কের পাশে থাকা বহু ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান! এমনটাই মনে করছেন এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জোকা থেকে বকখালি পর্যন্ত পিচের রাস্তাটি, জাতীয় সড়কের স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু জাতীয় সড়কের পরিকাঠামো না থাকায়, জাতীয় সড়কের উদ্দেশ্য হারিয়েছে পিচ রাস্তাটি। রাস্তাটির শেষ প্রান্ত বকখালিতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। ক্যাম্পের উদ্বোধনও করা হয়েছে। কিন্তু ক্যাম্পের নানান সমস্যা রয়েছে, উপযুক্ত রাস্তা না থাকার ফলে। আর এই কারণেই জোকা থেকে বকখালি পর্যন্ত পিচ রাস্তাটিকে জাতীয় সড়কের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কুলপি সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় সড়কের কাজও শুরু হয়েছে। তবে নামখানায় হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর সেতুর কাজ ও পিচ রাস্তার মাঝে মাঝে থাকা ক্যালভাট গুলির সম্প্রসারণের কাজ শেষ না হলে, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা সম্ভব নয় বলে, প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। এক্ষেত্রে রাজারহাট, আমতলা, ডায়মন্ড হারবার, কুলপি, করঞ্জলী, নিশ্চিন্তপুর ও কাকদ্বীপ নিয়ে চিন্তিত সরকার। কারণ এই এলাকা গুলি ঘনবসতি পূর্ণ। তবে জাতীয় সড়কের নক্সা সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও, এখনও পর্যন্ত কোন রূপরেখার স্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে, জানা যায়।
মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হলেই, ভাঙা পড়বে বহু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান! চিন্তিত ব্যবসায়ী মহল নামখানা সেতুর কাজ যত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, ততই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দপ্তরে খোঁজ নিতে শুরু করেছেন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের পরিমাপ সম্বন্ধে। কারণ ব্যবসায়ীরা নিশ্চিত নামখানা সেতুর কাজ শেষ হলেই, ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। আর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ হলেই, ভাঙা পড়বে জাতীয় সড়কের পাশে থাকা বহু ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান! এমনটাই মনে করছেন এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জোকা থেকে বকখালি পর্যন্ত পিচের রাস্তাটি, জাতীয় সড়কের স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু জাতীয় সড়কের পরিকাঠামো না থাকায়, জাতীয় সড়কের উদ্দেশ্য হারিয়েছে পিচ রাস্তাটি। রাস্তাটির শেষ প্রান্ত বকখালিতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। ক্যাম্পের উদ্বোধনও করা হয়েছে। কিন্তু ক্যাম্পের নানান সমস্যা রয়েছে, উপযুক্ত রাস্তা না থাকার ফলে। আর এই কারণেই জোকা থেকে বকখালি পর্যন্ত পিচ রাস্তাটিকে জাতীয় সড়কের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কুলপি সংলগ্ন এলাকায় জাতীয় সড়কের কাজও শুরু হয়েছে। তবে নামখানায় হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর সেতুর কাজ ও পিচ রাস্তার মাঝে মাঝে থাকা ক্যালভাট গুলির সম্প্রসারণের কাজ শেষ না হলে, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা সম্ভব নয় বলে, প্রশাসন সূত্রে জানা যায়। এক্ষেত্রে রাজারহাট, আমতলা, ডায়মন্ড হারবার, কুলপি, করঞ্জলী, নিশ্চিন্তপুর ও কাকদ্বীপ নিয়ে চিন্তিত সরকার। কারণ এই এলাকা গুলি ঘনবসতি পূর্ণ। তবে জাতীয় সড়কের নক্সা সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও, এখনও পর্যন্ত কোন রূপরেখার স্থির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে, জানা যায়।

No comments:
Post a Comment