জীবনে মাত্র একবার চুল কাটেন এই নারীরা !! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 4 June 2018

জীবনে মাত্র একবার চুল কাটেন এই নারীরা !!



মেয়েদের চুল একটা আকর্ষণের বিষয়। শুধু তাদের চুলের ভেলকিতেই যে কতো পুরুষ পাগল হয়েছে তার কোনো শেষ নেই। আর তাই চুলের যত্নে কতকিছুই করে মেয়েরা। বাংলা ভাষায় একটি প্রবাদ আছে- ‘জলে চুন তাজা, তেলে চুল তাজা’। এই চুল তাজা রাখতে আরো নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করে বঙ্গললনারা।

তবে চুল নিয়ে চুলোচুলি কিন্তু মোটেই পছন্দ করেন না চীনের একটি সম্প্রদায়ের নারীরা। কেটেকুটে কোন বিশেষ ছাঁট দেয়া তো অনেক দূরের কথা। এদের কাছে চুলের ধর্ম শুধুই বেড়ে যাওয়া। আসলে সারা জীবনে মাত্র একবারই চুল কাটেন এই চীনা এই নারীরা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য।

দুই হাজার বছর ধরে চীনের গুয়াংসি প্রদেশের হুয়ানগ্লো গ্রামে চলে আসছে এই চুল না কাটার প্রথা। গ্রামের ইয়াও জনগোষ্ঠীর সব নারীরাই কোনোদিন নাকি চুল কাটেনি না। তাদের নিয়মে বলা আছে, ১৮ বছর বয়সে বয়সে একবার চুল কাটতে পারবে।

ব্যস! ওই একবারই। শত ঝামেলাতেও আর কাটা যাবে না চুল। স্বাভাবিকভাবে চুল তাই নিজের আপন খেয়ালে বেড়েই চলে। পাশাপাশি এটাও জেনে নিন ইয়াও নারীদের চুল সতেজ রাখার জন্যও কোনো তেল লাগে না। লাগে না কোন শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার।

চুল আকর্ষণীয় রাখতে তাদের পদ্ধতিটিও বেশ অভিনব। বয়ে চলা নদীর পানিতে চুল ভালো করে ধুয়ে নেন তারা। তাতেই নাকি সব ধুলা-ময়লা ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যায়। পানি দিয়েই চলে নিয়মিত চুলের পরিচর্যা। ইতিমধ্যেই সাত ফুট লম্বা চুলের রেকর্ড করেছেন এক নারী।

২০০৪ সালে সবচে লম্বা চুলের জন্য গিনেজ বুকে নাম লিখিয়েছিলেন এখানকার এক নারী। তার চুল ছিল ১৮ ফুটেরও বেশি লম্বা। এছাড়া প্রায় ৬০ জনের চুল তিন ফুট পর্যন্ত লম্বা। এই এতো বিশাল চুলবাহার নিয়েই দৈনন্দিন কাজকর্মও করেন প্রত্যেকে। সত্যিই এখানে গেলে আপনি ‘চুল দিয়ে যায় চেনা’ প্রবাদটির সত্যতা খুঁজে পাবেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad