মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: নিখোঁজ সাত মৎস্যজীবী উদ্ধার । সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটতে দেখে একটি মাছ ধরার নৌকো তাদেরকে দেখতে পায় ।বাকি সাত মৎস্যজীবী ও ওই ট্রলার নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত বুধবার সন্ধ্যায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ঝড় বৃষ্টিতে ঢেউয়ের তোড়ে একটি ট্রলার ডুবে গেলে নিখোঁজ ৭ জন মৎস্যজীবী।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ মহকুমা বঙ্গোপসাগরের কেঁদো দ্বীপ দক্ষিণ এলাকায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে কাকদ্বীপ মহকুমা বাসিন্দা মাঝি বিরঞ্জন দাস সহ আরও ১৪ জন মৎস্যজীবী এফ ভি কন্যামাতা ট্রলারে করে গোপন ভাবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়।যেহতু মাছের প্রজন্ম কে বাঁচাতে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে নদী খালে বিলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ।আর এই নিষিদ্ধ কে উপেক্ষা করে আইন কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ট্রলারটি গোপন ভাবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে চলে যায়।
এদিন সন্ধ্যায় কেঁদো দ্বীপের দক্ষিণে মাছ ধরার সময় হঠাৎই ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়।ঝড়ের তোড়ে টেউয়ের ঝাঁপটায় ট্রলারটি ডুবে যায়।আশপাশে কিছু মাছের বোর্ড ছিল।তারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে ৮ জন মৎস্যজীবী কে উদ্ধার করে।তবে এখনও পর্যন্ত ট্রলারের ৭ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ।সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন ঝড় বৃষ্টি সমুদ্রের টেউয়ের তোড়ে এফ ভি কন্যামাতা ট্রলার টি কেঁদো দ্বীপের দক্ষিণে ডুবে যায়।ট্রলারে ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিল।তবে এদের মধ্যে একজন মাঝি আছে।আশেপাশের মৎস্যজীবীরা ৮ জন কে উদ্ধার করে।বাকীরা নিখোঁজ।এই ট্রলারটি গোপন ভাবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে চলে যায়।যেহেতু ১৪ জুন পর্যন্ত মাছ ধরা নিষিদ্ধ।বিষটি বিভাগীয় দফতরে জানানো হয়েছে।যাতে বাকি মৎস্যজীবীদের ও ট্রলারটি উদ্ধার করা যায়।

No comments:
Post a Comment