'আল্লাহ এত্ত মানুষেরে নিয়া যায় আমারে ক্যান নিয়া যায় না' ক্রমাগত কেঁদেই চলেছেন আর একটানা এই বাক্যই বলে চলেছেন ১০১ বছরের মো. জামিরুদ্দিন শেখ। বলেন, 'যে বাবা ছেলের হাতে মার খায় তার বেঁচে থেকে কী হবে?'
প্রশ্ন করলে চুপ হয়ে যান। ফের কান্না। অনেক কষ্টে জানা জানালেন, প্রতিনিয়ত ৫ ছেলের মধ্যে ৪ ছেলের হাতেই মার খাচ্ছেন। বড় ছেলে সাহেব আলী তাকে দুইবার মেরেছে, সেজ ছেলে আইয়ুব আলীও তাকে দুইবার মেরেছে, তৃতীয় ছেলে আলতাফ তাকে মেরেছে তিনবার আর সর্বকনিষ্ঠ ছেলে মশিয়ার তাকে মেরেছে দুইবার। বেশ কিছুদিন ছিলেন মেজ ছেলের সঙ্গে।
জামিরুদ্দিন বলেন, ছেলের বউ অভিযোগ তুলে বলে যখন কেউ তাকে খেতে দেয় না, তখন আমরাও তাকে খেতে দেব না। এই বলে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অথচ জামিরুদ্দিনের ৫২ বিঘা সম্পত্তি রয়েছে। যা জোর করে লিখে নিয়েছে ছেলেরা। জানালেন, তাঁর রয়েছে জীবনের নানা করুন কাহিনী।
ফের কাঁদতে শুরু করেন।
চলে গিয়েছিলেন বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানে ছিলেন প্রায় দুই মাস। সেখান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে আসেন বড় ছেলের মেয়ে ও তার জামাই। আবার বড় ছেলের বাড়িতে রেখে আসে তারা। এখন কেউ তার সঙ্গে কোনো কথা বলে না। আর বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার ওপর চলে শারীরিক নির্যাতন।
জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন জানান, তার কাছেও এসেছিলেন জামিরুদ্দিন শেখ। তার করুন কাহিনী শুনে তিনি শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার। দোষীদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গণির সাথে কথা হয়। তিনি জানালেন, মৃত মাদু শেখের ছেলে মো. জামিরুদ্দিন শেখ। জন্ম ১০ অক্টোবর ১৯১৭ সালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বিপ্র-বগদিয়া গ্রামে।
তাঁর ৫ ছেলে। জামিরুদ্দিন অভিযোগ এনেছেন, অসুস্থতার সুযোগে ৫২ বিঘা সম্পত্তি জোর করে লিখে নিয়েছেন ছেলেরা। আবার শারীরিক নির্যাতনও করছে প্রতিনিয়ত। এরপর নিজের জমি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেন।
প্রশ্ন করলে চুপ হয়ে যান। ফের কান্না। অনেক কষ্টে জানা জানালেন, প্রতিনিয়ত ৫ ছেলের মধ্যে ৪ ছেলের হাতেই মার খাচ্ছেন। বড় ছেলে সাহেব আলী তাকে দুইবার মেরেছে, সেজ ছেলে আইয়ুব আলীও তাকে দুইবার মেরেছে, তৃতীয় ছেলে আলতাফ তাকে মেরেছে তিনবার আর সর্বকনিষ্ঠ ছেলে মশিয়ার তাকে মেরেছে দুইবার। বেশ কিছুদিন ছিলেন মেজ ছেলের সঙ্গে।
জামিরুদ্দিন বলেন, ছেলের বউ অভিযোগ তুলে বলে যখন কেউ তাকে খেতে দেয় না, তখন আমরাও তাকে খেতে দেব না। এই বলে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অথচ জামিরুদ্দিনের ৫২ বিঘা সম্পত্তি রয়েছে। যা জোর করে লিখে নিয়েছে ছেলেরা। জানালেন, তাঁর রয়েছে জীবনের নানা করুন কাহিনী।
ফের কাঁদতে শুরু করেন।
চলে গিয়েছিলেন বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানে ছিলেন প্রায় দুই মাস। সেখান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে আসেন বড় ছেলের মেয়ে ও তার জামাই। আবার বড় ছেলের বাড়িতে রেখে আসে তারা। এখন কেউ তার সঙ্গে কোনো কথা বলে না। আর বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার ওপর চলে শারীরিক নির্যাতন।
জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন জানান, তার কাছেও এসেছিলেন জামিরুদ্দিন শেখ। তার করুন কাহিনী শুনে তিনি শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার। দোষীদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গণির সাথে কথা হয়। তিনি জানালেন, মৃত মাদু শেখের ছেলে মো. জামিরুদ্দিন শেখ। জন্ম ১০ অক্টোবর ১৯১৭ সালে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বিপ্র-বগদিয়া গ্রামে।
তাঁর ৫ ছেলে। জামিরুদ্দিন অভিযোগ এনেছেন, অসুস্থতার সুযোগে ৫২ বিঘা সম্পত্তি জোর করে লিখে নিয়েছেন ছেলেরা। আবার শারীরিক নির্যাতনও করছে প্রতিনিয়ত। এরপর নিজের জমি উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করেন।
No comments:
Post a Comment