কিছু দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “যাঁরা পকোড়া বিক্রি করেন তাঁরা বেকার নন।” অনেকেই সেই কথার প্রতিবাদ করেছিলেন। কিন্তু পুনের নবনাথ ইউলে বুঝিয়ে দিয়েছেন, মোদীর ‘দেখানো পথে’ চললেও অনেক ভালো ভালো চাকরিকে হারিয়ে দেওয়া যায়।
না নবনাথ পকোড়া বিক্রি করেন না, চা বিক্রি করেন। এই চা বিক্রি করেই তাঁর মাসিক আয় বারো লক্ষ টাকা! হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন, শুধু চা বিক্রি করেই নবনাথের পকেটে ঢোকে বারো লক্ষ টাকা।
পুনের বিখ্যাত চা ব্যবসায়ী এই নবনাথ ইউলে। তাঁর হাত ধরেই পত্তন হয়েছে ‘ইউলে টি হাউস’-এর। এখন একটা নয়, পুনে শহরে তিনটে শাখা রয়েছে তাঁর ‘টি হাউসের।’ প্রত্যেকটি শাখাতেই বারো জন করে কর্মচারী রেখেছেন তিনি।
নবনাথ মনে করেন তাঁর ‘টি হাউস’-এর মধ্যে দিয়েই মহারাষ্ট্রের বেকারত্বের সমস্যা অনেকটাই কমানো যাবে। তাঁর কথায়, “কর্মসংস্থানের একটা বড়ো রাস্তা খুলে দিয়েছে আমাদের এই টি-হাউস। তিনটে শাখাতে বারোজন করে কর্মচারী রয়েছে। আমার ইচ্ছে অন্তত একশোটা শাখা খোলার। তা হলে ১,০০০ থেকে ১,২০০ জনের কর্মসংস্থান হবে।”
কম বয়সে মোদী যে চা বিক্রি করতেন সেটা প্রায় সবাই জানেন, এখন দেখার নবনাথ ইউলে কোনো দিন প্রধানমন্ত্রীর গদিতে বসতে পারেন কি না।
না নবনাথ পকোড়া বিক্রি করেন না, চা বিক্রি করেন। এই চা বিক্রি করেই তাঁর মাসিক আয় বারো লক্ষ টাকা! হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন, শুধু চা বিক্রি করেই নবনাথের পকেটে ঢোকে বারো লক্ষ টাকা।
পুনের বিখ্যাত চা ব্যবসায়ী এই নবনাথ ইউলে। তাঁর হাত ধরেই পত্তন হয়েছে ‘ইউলে টি হাউস’-এর। এখন একটা নয়, পুনে শহরে তিনটে শাখা রয়েছে তাঁর ‘টি হাউসের।’ প্রত্যেকটি শাখাতেই বারো জন করে কর্মচারী রেখেছেন তিনি।
নবনাথ মনে করেন তাঁর ‘টি হাউস’-এর মধ্যে দিয়েই মহারাষ্ট্রের বেকারত্বের সমস্যা অনেকটাই কমানো যাবে। তাঁর কথায়, “কর্মসংস্থানের একটা বড়ো রাস্তা খুলে দিয়েছে আমাদের এই টি-হাউস। তিনটে শাখাতে বারোজন করে কর্মচারী রয়েছে। আমার ইচ্ছে অন্তত একশোটা শাখা খোলার। তা হলে ১,০০০ থেকে ১,২০০ জনের কর্মসংস্থান হবে।”
কম বয়সে মোদী যে চা বিক্রি করতেন সেটা প্রায় সবাই জানেন, এখন দেখার নবনাথ ইউলে কোনো দিন প্রধানমন্ত্রীর গদিতে বসতে পারেন কি না।
No comments:
Post a Comment