ভারতের গুজরাটে এক দম্পতি ১৭ সন্তান জন্ম দেওয়ার পর অবশেষে পরিবার পরিল্পনা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে।
‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র খবরে বলা হয়, দম্পতির ১৭ সন্তানের মধ্যে ১৬টি মেয়ে এবং একটি ছেলে। এর মধ্যে তাদের দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং দুই মেয়ে মারা গেছে।
পুরো গ্রামের অনুরোধ রাখতে শেষ পর্যন্ত ৪৪ বছর বয়সী কৃষক রামসিং তার স্ত্রী কানু সানগত (৪০) কে একটি (টিউবেটমি) স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের অনুমতি দেন।
ফোনে রামসিং বলেন, “গ্রামবাসীরা পরিবার আর বড় না করার বিষয়ে আমাদেরকে বুঝিয়েছে।”
রামসিং স্বীকার করেন আরও একটি ছেলের আশায় তিনি পরিবার বড় করছিলেন।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ষোড়শ সন্তানের জন্ম দেন রামসিংয়ের স্ত্রী কানু। এখনও নাম ঠিক না করা সর্বশেষ সন্তানের জন্ম তারিখ মনে করতে পারননি তিনি।
এ দম্পতির একমাত্র ছেলে বিজয়ের জন্ম ২০১৩ সালে।
রামসিং বলেন, বৃদ্ধ বয়সে তাদের দেখভাল করবে এই আশায় তিনি আরও একটি ছেলে চেয়েছিলেন।
“কিন্তু অনেক মেয়ের বাবা হওয়ার পর তাদের দেখভালের জন্য আমি আকুল হয়ে আরও একটি ছেলে সন্তান চাচ্ছিলাম। কিন্তু তা হয়নি।”
দুই বিঘা জমির মালিক রামসিং ও তার স্ত্রী বড় পরিবারের খরচ যোগাতে নিজেদের জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে কাজ করেন।
‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র খবরে বলা হয়, দম্পতির ১৭ সন্তানের মধ্যে ১৬টি মেয়ে এবং একটি ছেলে। এর মধ্যে তাদের দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং দুই মেয়ে মারা গেছে।
পুরো গ্রামের অনুরোধ রাখতে শেষ পর্যন্ত ৪৪ বছর বয়সী কৃষক রামসিং তার স্ত্রী কানু সানগত (৪০) কে একটি (টিউবেটমি) স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণের অনুমতি দেন।
ফোনে রামসিং বলেন, “গ্রামবাসীরা পরিবার আর বড় না করার বিষয়ে আমাদেরকে বুঝিয়েছে।”
রামসিং স্বীকার করেন আরও একটি ছেলের আশায় তিনি পরিবার বড় করছিলেন।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ষোড়শ সন্তানের জন্ম দেন রামসিংয়ের স্ত্রী কানু। এখনও নাম ঠিক না করা সর্বশেষ সন্তানের জন্ম তারিখ মনে করতে পারননি তিনি।
এ দম্পতির একমাত্র ছেলে বিজয়ের জন্ম ২০১৩ সালে।
রামসিং বলেন, বৃদ্ধ বয়সে তাদের দেখভাল করবে এই আশায় তিনি আরও একটি ছেলে চেয়েছিলেন।
“কিন্তু অনেক মেয়ের বাবা হওয়ার পর তাদের দেখভালের জন্য আমি আকুল হয়ে আরও একটি ছেলে সন্তান চাচ্ছিলাম। কিন্তু তা হয়নি।”
দুই বিঘা জমির মালিক রামসিং ও তার স্ত্রী বড় পরিবারের খরচ যোগাতে নিজেদের জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে কাজ করেন।
No comments:
Post a Comment