নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতাঃ বিজেপি দাঙ্গা করছে, বিজেপি হিন্দুত্বকে অপমান করেছে। যেমন ইচ্ছে হচ্ছে তেমন করে দেশ চালাচ্ছে। ২১ শে জুলাই মঞ্চ থেকে এমনটাই দাবী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২১ শে জুলাই শহীদ স্মরণ এবার ২৫ বছরে পা দিল তৃণমূল কংগ্রেস ।শনিবার ভোর রাত থেকে ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা করে ধর্মতলা মুখি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক থেকে কর্মীরা ও নেতারা। এবারের সভায় খুব আটোসাটো করা হয়েছে নিরাপত্তা । ১০ টি মেট্রো স্টেশনে বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থা করা হয়েছে । সভা মঞ্চ ঘিরে ৪০০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে জায়ান্ট স্কিন। ১৪ টি জায়গায় রাখা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় থাকবে ৬০০০ হাজার পুলিশ কর্মী।
লোকসভা ভোটের আগে শেষ ২১ শে জুলাই। এই ২১ শে জুলাই মিছিলকে কেন্দ্র করে ডোরিনা ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, বেন্টিক স্ট্রিট, চিত্তরঞ্জন অ্যভিনিউ ও এস. এন. ব্যানার্জি রোড বন্ধ ছিল। মোদী যেদিন গদিচু্ত হবে সেদিন ভারতের নতুন সূর্যোদয হবে। ২০১৯ শে বিজেপি ফিনিস। তৃণমূল কংগ্রেস মা মাটি মানুষের দল। জাতপাতের রাজনীতি নয়। অত্যাচারের বাঁধ ভেঙে দাও, আমরা প্রলয়কে জয় করি। ২১ শে জুলাই এর অঙ্গীকার আমরা ৪২ এ ৪২ টি লোকসভায় আসন পাবো। এটাই ২১ শে জুলাই এর অঙ্গীকার। বাংলা পথ দেখাবে ভারতবর্ষকে। ১৯ শে জানুয়ারি পরবর্তী ব্রিগেড সমাবেশের ডাক সেই সমাবেশে সেই ২১ শে জুলাইয়ের চেয়ে বেশী জনসমাগম হবে। যারা পাণ্ডেল করতে পারে না তারা নাকি দেশ গড়বে বিজেপি কে কটাক্ষ তৃণমূল সুপ্রিমো। ২৮ শে জুলাই মেদিনীপুর এ ওই একই গ্রাউন্ডে জনসভা করবে তৃণমূল নেতৃত্ব। আজকের সমাবেশে দূর দুরন্ত থেকে পায়ে হেঁটে, বাসে, ট্রেন করে এসেছে। একটি ট্রেন ভাড়া করতে ২২ লাখ টাকা খরচ হয়, আমরা তা দিতে পারিনা। কিন্তু আমি যখন রেল মন্ত্রী ছিলাম তখন অনেক পার্টিকে বিনা পয়সায় ট্রেন ভাড়া দিয়েছিলাম। ১৯ শে জানুয়ারি ব্রিগেড থেকে ১৯ দখলের ডাক। ১ লা আগস্ট থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশ বাঁচাও কর্মসূচি নেওয়া হবে। সিপিআইএম এর হারমাদ রা এখন বিজেপি ওস্তাদ। বাংলায় বেকারত্ব ৪০%কমেছে। মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাতে বিজেপি শূন্য পাবে। আমরা চেয়ারকে কেয়ার করি না, বাংলাকে কেয়ার করি। ২০১৯ সালে বিজেপি লোকসভা ভোটে ১০০ নীচে আসন পাবে ।



No comments:
Post a Comment