চাঁদনীঃ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানার গোবিন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এর মানুর গ্রামে ভাইয়ের সঙ্গে খেলা করার সময় ১১ বছরের নাবালিকা পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সহেলি মান্নার পায়ে ফুটেছিল সূচ। মাঝখান থেকেই ভেঙে যায় সূচটি। এক্সরে রিপোর্টে ধরা পড়েছে ডান পায়ের বুড়ো আঙুলের নিচেই রয়েছে সূচটি পরিবারের লোকেরা গত ৫ তারিখ থেকে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন হাসপাতালে। কিন্তু এখনও ওই ছাত্রীর পা থেকে সুঁচ বের করানোর কোনো উদ্যোগই নেয়নি হাসপাতালগুলি। ৫ তারিখ এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে প্রথমে পরিবারের লোকেরা যান পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সার্জন নেই জানিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। পরের দিন আবার গেলে অর্থপেডিক্স সার্জন ওই ছাত্রীর চিকিৎসা করে রেফার করেন তমলুকে।তমলুকে ভর্তি করিয়ে নেওয়া হয় ছাত্রীকে।কিন্তু সেখানেও হয়নি।চিকিৎসকরা শেষ পর্যন্ত রেফার করে দেন পিজিতে। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় তাকে বাড়িতেই ফিরিয়ে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। আর এই পরিস্থিতিতে যন্ত্রনায় ছটফট করছে ছোট্ট সহেলি। বাবা লব মান্না পেশায় মুদি ব্যবসায়ী। বলেন, সামান্য সূচ বের করাতে পিজি রেফার করা হচ্ছে। এভাবে হয়রানি হতে হচ্ছে। এতেই স্পষ্ট জেলার সরকারি হাসপাতাল গুলির বেহাল দশার ছবি। মামা ভিমচন্দ্র মেট্যা। মেয়েটার বাড়ি মানুর, গোবিন্দনগর পঞ্চায়েত।
চাঁদনীঃ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানার গোবিন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এর মানুর গ্রামে ভাইয়ের সঙ্গে খেলা করার সময় ১১ বছরের নাবালিকা পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সহেলি মান্নার পায়ে ফুটেছিল সূচ। মাঝখান থেকেই ভেঙে যায় সূচটি। এক্সরে রিপোর্টে ধরা পড়েছে ডান পায়ের বুড়ো আঙুলের নিচেই রয়েছে সূচটি পরিবারের লোকেরা গত ৫ তারিখ থেকে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন হাসপাতালে। কিন্তু এখনও ওই ছাত্রীর পা থেকে সুঁচ বের করানোর কোনো উদ্যোগই নেয়নি হাসপাতালগুলি। ৫ তারিখ এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে প্রথমে পরিবারের লোকেরা যান পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সার্জন নেই জানিয়ে ফেরত পাঠানো হয়। পরের দিন আবার গেলে অর্থপেডিক্স সার্জন ওই ছাত্রীর চিকিৎসা করে রেফার করেন তমলুকে।তমলুকে ভর্তি করিয়ে নেওয়া হয় ছাত্রীকে।কিন্তু সেখানেও হয়নি।চিকিৎসকরা শেষ পর্যন্ত রেফার করে দেন পিজিতে। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় তাকে বাড়িতেই ফিরিয়ে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। আর এই পরিস্থিতিতে যন্ত্রনায় ছটফট করছে ছোট্ট সহেলি। বাবা লব মান্না পেশায় মুদি ব্যবসায়ী। বলেন, সামান্য সূচ বের করাতে পিজি রেফার করা হচ্ছে। এভাবে হয়রানি হতে হচ্ছে। এতেই স্পষ্ট জেলার সরকারি হাসপাতাল গুলির বেহাল দশার ছবি। মামা ভিমচন্দ্র মেট্যা। মেয়েটার বাড়ি মানুর, গোবিন্দনগর পঞ্চায়েত।

No comments:
Post a Comment