কাঠবিড়ালিদের জন্য সেতু - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 7 July 2018

কাঠবিড়ালিদের জন্য সেতু




শহর ও জঙ্গল এখানে মিলেমিশে একাকার৷ এটাই অন্যান্য শহরের সঙ্গে বার্লিনের মূল পার্থক্য৷ শহরের আশেপাশেই এখানে বাসা বাঁধে বন্যপ্রাণীরা৷ বলতে গেলে বার্লিনে শহরের মধ্যেই বিচরণ তাদের৷ বার্লিনের শিল্পী সুসানা হ্যারট্রিশ তাঁর ‘বার্লিন ওয়াইল্ড লাইফ’ ইন্সটলেশনে মানুষ ও বন্য জীবজন্তুর সহাবস্থানের ছবি তুলে ধরেছেন৷
এই বইতে তিনি তুলে ধরেছেন বন্যদের কাহিনী৷ এই বইয়ের দুর্মলাচে বলা হয়েছে, বার্লিনে বন্যপ্রাণীদের বিচরণ করতে কোনও অসুবিধা হয় না৷ এই শহরে অসংখ্য পার্ক থাকায় এক সবুজ চত্বর থেকে আর এক সবুজে অনায়াসে যেতে পারে তারা৷ আবার ঐতিহাসিক কারণে অন্যান্য শহরের তুলনায় বার্লিনের কেন্দ্রেই নানা পরিত্যক্ত জায়গা সৃষ্টি হয়েছে৷ যা শেয়াল ও বুনো খরগোশের মতো প্রাণীদের বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠেছে৷ বার্লিনের রাস্তায় প্রায় দেখা মেলে কাঠবিড়ালি, শেয়াল কিংবা বুনো শুয়োরের৷ আর এই প্রাণীগুলি রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনার কবলেও পড়ে প্রতিনিয়ত৷ তাই তাদের মধ্যে কাঠবিড়ালিকে রক্ষার জন্য নতুন সেতুর পরিকল্পনা৷ রাস্তা পারাপারে কাঠবিড়াল ছাড়াও ম্যার্টেন-এর মতো ছোট ছোট প্রাণীকেও রক্ষা করবে এই সেতু৷
ট্রেপটো-ক্যোপেনিক এলাকায় ম্যুগেলসেডাম-এর ওপর এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়৷ জার্মানিতে এটি দ্বিতীয় কাঠবিড়ালি-সেতু৷প্রথমটি গড়ে উঠেছে নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়ার ভ্লটো-তে৷নয় মিটার উঁচু দুই প্রান্তের দুটি গাছে ২১ মিটার লম্বা মোটা দড়ি বেঁধে তৈরি করা হয়েছে এই সেতু৷ তিনি বলেন, বন্যপ্রাণীরা যে আমাদের সঙ্গে বসবাস করে, এটা আমাদের মেনে নিতে হবে৷ পাখি, শজারু ও অবশ্যই কাঠবিড়ালিদের জন্য বিপজ্জনক হল যানবাহন৷’

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad