বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল স্বামী ও স্ত্রীর। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথর প্রতিমার লক্ষ্মীজনার্দনপুরে। মৃত স্বামী ও স্ত্রী চিত্তরঞ্জন মাইতি ও পূর্ণিমা মাইতি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে স্বামী ও স্ত্রী পানের বরজে টুলু পাম্প চালিয়ে জল দিচ্ছিলেন। জল দেওয়ার সময় চিত্তরঞ্জন বরজে থাকা একটি লোহায় হাত দেন। কিন্তু লোহাটিতে বিদ্যুৎ থাকায় চিত্তরঞ্জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। চিত্তরঞ্জনকে ছাড়াতে গেলে স্ত্রী পূর্ণিমাও বিদ্যুতের শক খান। ঘটনাস্থলেই স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়। তবে পূর্ণিমার চিৎকারে ছেলে কালীপদ ছুটে গিয়ে বাবা ও মাকে বাঁচাতে গেলে, কালিপদও গুরুতর আহত হন। কালিপদকে রায়দিঘি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে পাথরপ্রতিমায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল স্বামী ও স্ত্রীর। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথর প্রতিমার লক্ষ্মীজনার্দনপুরে। মৃত স্বামী ও স্ত্রী চিত্তরঞ্জন মাইতি ও পূর্ণিমা মাইতি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে স্বামী ও স্ত্রী পানের বরজে টুলু পাম্প চালিয়ে জল দিচ্ছিলেন। জল দেওয়ার সময় চিত্তরঞ্জন বরজে থাকা একটি লোহায় হাত দেন। কিন্তু লোহাটিতে বিদ্যুৎ থাকায় চিত্তরঞ্জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। চিত্তরঞ্জনকে ছাড়াতে গেলে স্ত্রী পূর্ণিমাও বিদ্যুতের শক খান। ঘটনাস্থলেই স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়। তবে পূর্ণিমার চিৎকারে ছেলে কালীপদ ছুটে গিয়ে বাবা ও মাকে বাঁচাতে গেলে, কালিপদও গুরুতর আহত হন। কালিপদকে রায়দিঘি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে পাথরপ্রতিমায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

No comments:
Post a Comment