নিজস্ব সংবাদদাতা : বসিরহাট শহরের ২১ জুলাইয়ের প্রথম প্রস্তুতি সভা শুরু হল বসিরহাটের কাছারি পাড়া থেকে। ২১ জুলাইয়ের শহীদদের তর্পন করে সভা শুরু হয়। প্রচন্ড দাবদাহে উপেক্ষা করেও শহীদদের কথা শুনল মানুষ। জনসভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রী জ্যতিপ্রিয় মল্লিক, পশ্চিমবাংলার চিপ হুইপ নির্মল ঘোষ, জেলার কার্যকরী সভাপতি নারায়ণ গোস্বামী, জেলার তৃনমূল যুব সভাপতি পার্থ ভৌমিক, সাংসদ ইদ্রিস আলি, স্থানীয় বিধায়ক সহ মহকুমা তথা বসিরহাট পুলিশ জেলার বিশিষ্ট নেতৃত্বেরা।
বক্তব্যের পুরোভাগই ছিল আগামী প্রজন্মের কাছে ২১ জুলাইয়ের শহীদদের তুলে ধরার কথা। সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ২১ জুলাই এর সভা থেকে ১৯ এর লোকসভায় প্রস্তুতির শুরু। যেখানের প্রধানমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও বলেন রাজ্যে কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে মোদি জী আসছেন। এসে মানুষকে কি দেবেন, কি বলবেন ? পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি সব কিছুই তো দিয়েছেন । বিজেপি র যেটুকু অস্তিত্ব রয়েছে তা একেবারেই ঝাড়ু মেরে বিদায় দেবে বাংলার মানুষ।
জ্যতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, বসিরহাট হল লড়াই - সংগ্রামের নাম। যেখানে খাদ্য আন্দোলনে শহীদ হন নুরুল ইসলাম। তাঁর মা কে সিপিএম কংগ্রেস কেউ দেখে নি। কিছু পায়নি। যা দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদিজীর বিকল্প মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পাচ্ছেন। ১৯ টি রাজনৈতিক দল এক সঙ্গে হলে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারবে না । প্রধানমন্ত্রীর চাবি কাঠি থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। এই জেলায় ৫ টি ও রাজ্যে মোট ৪২ টি আসন তৃণমূল পাবে। ২১ জুলাই এর সভা মঞ্চ থেকে থেকে যে সন্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেবে তা গ্রামের মানুষদের ছড়িয়ে দেব।

No comments:
Post a Comment