বিপন্ন বিজেপি। বিপন্ন বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলার নেতা কর্মীরা। শুক্রবার ফের আরও একবার সেটা প্রমান হল সেটা। এদিন ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ
মুখার্জির জন্মদিন উপলক্ষে চুঁচুড়ার ঘড়ির মোরে মিলিত হন বিজেপির বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর নেতা কর্মীরা। এদিন হুগলির জেলার সদর শহরের বুকে বিজেপির বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর তরফে
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এহেন বর্নময়
জন্মদিন অনুষ্ঠান পালনে মানুষের উপস্থিতি দেখে বোঝার উপায় ছিলনা এই গোটা অনুষ্ঠানটি বিজেপির
অফিসিয়াল গোষ্ঠীর তত্ত্বাবধানে হয়নি।
এদিন বিজেপির ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন, বিজেপির রাজ্যের সহ সভাপতি
রাজকুমারী কেশরী, জেলা কৃষান মোর্চার সভাপতি রাজেন্দার সিং, সদ্য প্রাক্তন জেলার
সহ সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস, অখন্ড হুগলি জেলার প্রাক্তন সম্পাদক প্রবীর পাকীরা
হুগলি সাংগঠনিক জেলার ১৪জন প্রাক্তন তথা বিক্ষুব্ধ মণ্ডল সভাপতি সহ তাদের কয়েকশো
অনুগামী।
এদিন সকাল ১১টায় চুঁচুড়ার পিপুলপাতি থেকে একটি মিছিল শুরু হয়। সেই মিছিল
যায় চুঁচুড়ার ঘড়িরমোড় পর্যন্ত। যদিও সেই মিছিলে লোকজন কম থাকলেও পরে অবশ্য ঘড়ির
মোড়ে বিরাট অংশের একটা মানুষের সমাগম হয় বলে খবর। এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের
অনুষ্ঠান মঞ্চে একাধিক নেতারাই বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যে হুগলি সাংগঠনিক
জেলার নেতাদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ ঝড়ে পরে বলে অভিযোগ। বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতা
কর্মীরা ওই মঞ্চ থেকে বেশ কিছু শপথ নেন। এদিন দলের প্রতিষ্ঠাতা ভারত কেশরী তথা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সামনে রেখে বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীরা শপথ নিয়ে বলেন, আগামী দিনে বিপন্ন হুগলি জেলার বিজেপিকে শক্তিশালী বিজেপিতে রুপ দিয়ে তৃণমূলকে উৎখাত করে জেলাবাসীকে উপহার দেবার জন্য আমরা লড়াই করব। গোটা অনুষ্ঠানটি হুগলি সাংগঠনিক জেলার নাকের ডগায় সংগঠিত
হওয়ায় হুগলি সাংগঠনিক জেলা জুড়ে বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক হইচই শুরু
হয়েছে। যদিও এই প্রসঙ্গে হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুবীর নাগ বলেন, ডাঃ
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন যে
কেউই পালন করতে পারে। আমাদের বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসও যদি তার জন্মদিন পালন করেন
আমরা খুশিই হব।

No comments:
Post a Comment