আসানসোল দক্ষিন থানার অন্তর্গত মহিশীলা গ্রামের বাসিন্দা অক্ষয় মন্ডলের স্ত্রী ২৮ বছরের বুলটি মন্ডলের অস্বাভাবিক মৃতু ঘিরে চাঞ্চল্য,জেলা হাসপাতালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হলেও বিরক্ত হয়ে ফেরৎ চলে যান।
ঘটনায় জানা যায় রাণীগঞ্জ থানার বল্লভপুর বেলুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ধীরাজ গোপের ছোট মেয়ে বুলটির সাথে ছ বছর আগে অক্ষয়ের বিয়ে হয়,বিয়ের পর শারীরিক অত্যাচার হতো।দুটো বাচ্চা থাকা সত্তেও প্রায় দিন খাবার দেওয়া হতো না,স্বামী মদ খেয়ে এসে অকথ্য অত্যাচার করতো,কয়েকবার মেয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছিল এবং ডির্ভোসের কথা হলে ছেলের বাড়ী থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে আসে।শনিবার সকালে প্রতিবেশি মারফৎ বুলটি অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তী, হাসপাতালে এসে জানতে পারে মেয়ে ফাঁসি লাগিয়েছে।মেয়ের বাবা মৌখিকভাবে মেয়েকে মেরে ফাঁসি লাগিয়ে দিয়েছে জানালেও লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ জানায় নি। পুলিশ এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট মেয়ের পরিবারকে বোঝাবার চেষ্টা করে ব্যার্থ হন,মেয়ের বাপের বাড়ীর দাবী ছেলের বাবা আসলে তারা কাগজে সই করবে।পুলিশ এবং ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়াতে বুলটির মৃতদেহ আজ ময়নাতদন্ত করা যায়নি।

No comments:
Post a Comment