প্রধানমন্ত্রীর স্পর্শে রাতারাতি বিখ্যাত জঙ্গলমহলের দুই বোন , মিলছে বিয়ের অসংখ্য প্রস্তাব। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুধু মাত্র প্রধানমন্ত্রীর স্পর্শ পেয়েছিলেন । আর তাতেই জঙ্গলমহলের দুই বোন রীতা ও অনিতা মুদীর জীবনে ঘটে গেছে বড়সড় পরিবর্তন । ক্ষনিকের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রীর স্নেহধন্য হয়ে এখন রীতিমত সেলিব্রিটি দুই বোন । মিলতে শুরু করেছে বিয়ের প্রস্তাবও ।
বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের রানীবাঁধ গ্রামের আর পাঁচটা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মতোই অবস্থা রীতা মুদী ও অনিতা মুদীর পরিবারের । টানাটানির সংসারে উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল করে বড় বোন রীতা মুদী এখন বাঁকুড়া খ্রিষ্টান কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী । বোন অনিতা বাঁকুড়া জেলা সারদামনি মহিলা কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী । প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অন্ধ ভক্ত দুই বোন নিজের পরিবারের সঙ্গে মেদিনীপুরে প্রদঝান মন্ত্রীর সভায় গেছিলেন শুধু মাত্র দেশের প্রধান মন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখার আশায় । ভাবতে পারেননি সেই প্রধান মন্ত্রী তাঁদের দেখতেই হাজির হবেন তাঁদের কাছে । মেদিনীপুরের সভাস্থলে মন্ডপ ভেঙ্গে পড়ার পর দুই বোন আহত হন । ভর্তি করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে । সভা করতে এসে সেখানেই আহতদের দেখতে যান প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । দুই বোনকে দেখার পাশাপাশি তাঁদের শারীরিক অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবরও নেন তিনি । সেইসময়ই অসুস্থ বড় বোন রীতার অনুরোধে হাসপাতাল থেকে সংগ্রহ করা একটুকরো কাগজে অটোগ্রাফ দেন প্রধান মন্ত্রী । সেই সুখস্মৃতি নিয়ে দিন কয়েক আগে রানীবাঁধে ফিরে আসেন দুই বোন । প্রধান মন্ত্রীর অটোগ্রাফ বলে কথা । তাই সেটিকে অমুল্য সম্পদ হিসাবে ঘরের আলমারির লকারে সযত্নে তুলে রেখেছেন দুই বোন । এদিকে প্রধান মন্ত্রীর সৌজন্যে রীতা অনিতা এখন রীতিমত সেলিব্রিটি গোটা এলাকায় । প্রধান মন্ত্রী তাঁদের দেখতে এসে কি বললেন , কি করলেন এমনই হাজারো জিজ্ঞাসা নিয়ে রীতা অনিতাদের বাড়িতে এখন ভীর জমাচ্ছেন পাড়া পড়শিরা । ঘনঘন সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ঝলসে উঠছে তাঁদের লক্ষ করে । প্রধান মন্ত্রীর স্নেহধন্য এই দুই বোনের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আসতে শুরু করেছে বিয়ের প্রস্তাবও । একসময় বিয়ের দেখাশোনার পর যে পাত্রপক্ষ মোটা অঙ্কের পণ চেয়ে বসত তারাই এখন বিনা পনে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে হাজির হচ্ছেন রীতা অনিতার বাড়িতে । তবে এখনই বিয়েতে রাজী নয় দুই বোন ।

No comments:
Post a Comment