"মেদিনীপুরে নরেন্দ্র মোদির এই সভা ইতিহাস সৃষ্টি করবে" - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 15 July 2018

"মেদিনীপুরে নরেন্দ্র মোদির এই সভা ইতিহাস সৃষ্টি করবে"


“মেদিনীপুরে নরেন্দ্র মোদির এই সভা ইতিহাস সৃষ্টি করবে। এতদিন ধরে যারা তর্জন গর্জন করছে, বিভিন্নভাবে বিজেপি-কে হেয় করার চেষ্টা করছে, তাদের কাছে এটা একটা জবাব হতে চলেছে। পুরুলিয়ায় অমিত শাহর সভার পর তাদের সভা যেমন বিন্দুতে পরিণত হয়েছিল, ১৬ জুলাই নরেন্দ্র মোদির এই জনসভার পর ২১ জুলাইয়ের সভারও তেমনই অবস্থা হবে।” গতকাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের সভাস্থানের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে এসে একথা বললেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।
ক’দিন আগে রাজ্যে এসে তারাপীঠে পুজো দিতে গিয়েছিলেন অমিত শাহ। তাঁর যাত্রাপথে মমতা ব্যানার্জির হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে থাকার পোস্টার লাগানো হয়েছিল। তৃণমূল কর্মীরা বিষয়টাকে সৌজন্য হিসাবে দেখাতে চাইলেও আজ রাহুলবাবু বললেন, “আগামীদিনে এটাই হতে চলেছে। যেখানে যেখানে বিজেপি কর্মীরা যাবেন, সেখানে মমতার তৃণমূল সমর্থকরা হাতজোড় করে সেলাম ঠুকবে। এটাই রাজ্যের ভবিতব্য। আগামীদিনে যা হবে, তার ট্রেলারটা ওরা আগে থেকেই দেখিয়ে দেবে। মমতা ব্যানার্জি আজ মোদিজিকে স্বাগত জানানোর জন্য হাতজোড় করে চারিদিকে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমার মনে হয়, এটাই আমাদের সবথেকে বড় জয়।”সম্প্রতি দেশের কৃষকদের কথা মাথায় রেখে নূন্যতম সহায়কমূল্য বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রসঙ্গ উঠতেই রাহুল সিনহা মন্তব্য করেন, “দিদি কৃষকদের জন্য কী করেছেন? কৃষকদের ভোটে জয়লাভ করেই উনি সরকারে এসেছেন। আর আলুচাষিদের পথে বসিয়েছেন।সবজি মাণ্ডির নাম করে, কতগুলো মস্তানের আখড়া তৈরি হয়েছে। এরা কৃষকদের থেকে ফসল লুট করছে। ওরা তো লুটেরাদের পার্টি, ওরা আবার কী বলবে?”

পাশাপাশি তিনি এও যোগ করেন, “মোদিজি কৃষকদের খরিফ ফসলে দেড়গুণ লাভের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। অর্থাৎ যে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তাতে আর কোথাও কৃষক আত্মহত্যা কিংবা ঋণের জালে জড়ানোর গল্প থাকবে না। আমি মনে করি, মমতাদির মোদিজিকে ধন্যবাদ জানানো উচিত। আর সেকারণেই তিনি এভাবে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। মমতাদি এই রাজ্যের কৃষকদের জন্য কিছুই করেননি। কৃষকদের ঠকিয়েছেন। অতএব কৃষকদের নিয়ে একটা শব্দও মমতা ব্যানার্জির উচ্চারণ করা উচিত নয়। কৃষকলুটেরা পার্টি হিসাবে তৃণমূল নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে।”

আগামীকাল মেদিনীপুরে একটি জনসভায় যোগ দিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গেছে, তিনি বিশেষ হেলিকপ্টারে চেপে এখানে আসবেন। এজন্য মেদিনীপুর পুলিশ লাইন, মেদিনীপুরের IIT এবং কুইকোটাতে তিনটি হেলিপ্যাডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি SPG আধিকারিকরা খড়গপুরের কলাইকুন্ডা বায়ুসেনার হেলিপ্যাডও পরিদর্শন করে গেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত যা খবর, মেদিনীপুরের কোনও একটি হেলিপ্যাডে নেমে সেখান থেকে সড়কপথে কলেজমাঠে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। আপাতত মেদিনীপুর কলেজমাঠে চলছে শেষমুহূর্তের প্রস্তুতি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad