ডাকাতের বউকে বিয়ে পুলিশের? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 2 July 2018

ডাকাতের বউকে বিয়ে পুলিশের?



ডাকাতের বউকে বিয়ে করে আতংকে আছেন এক পুলিশ সদস্য। ভয়ে থানার দুয়ার মাড়াচ্ছেন না তিনি। দুই দিন ধরে দেখা নেই তার। রুলবুক মেনে তার নামে ‘নিখোঁজ’ ডায়েরিও করে ফেলেছে থানা।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট থানায়।
উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক পাচারসহ নানা অভিযোগ আছে বাদুড়িয়ার শ্রীকাটি গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে। অপরাধজগতে বেশ নামডাক তার। একবার পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে পালানোর চেষ্টাও করেছিল সে। আপাতত ধরা পড়ে দমদম সেন্ট্রাল জেলে।
যে সাব-ইন্সপেক্টর ফিরোজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করছিলেন তারই ঘর করতে গেছেন ফিরোজেরই বউ। থানায় যাতায়াতের সুবাদেই তার সঙ্গে আলাপ সাতাশ বছর বয়সের ফিরোজ-ঘরনির। সেই আলাপ এমন জমে ওঠে যে বছর আটচল্লিশের সংসারী উর্দিধারী ঠিক করে ফেলেন, ফের নিকাহ করবেন।
হুগলির চন্দননগরে তার পরিবারে আছেন স্ত্রী আর বছর ষোলোর ছেলে। ‘অসুস্থ’ বলে থানায় জানিয়ে রোববার তিনি ছুটি নিয়েছিলেন। রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েটা সেরে ফেলেন। এরপর বসিরহাট থানায় হুমকি ফোন আসা শুরু হয়। ফিরোজ না হয় শ্রীঘরে, তার দলবল তো আর খাঁচায় বসে নেই। ফোনে কখনো অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে, দুজনকেই জানে মেরে ফেলা হবে।
বেগতিক বুঝে উপরমহলে সব জানিয়েছেন বসিরহাট থানার আইসি প্রসেনজিৎ দাস। তার বক্তব্য, ‘গ্রামে উত্তেজনা রয়েছে। থানায় ফোন আসছে। আমাদের অফিসারের কোনো বিপদ ঘটলে তার দায় কে নেবে?’
ওদিকে ডাকাতের ভয়ে থানার দুয়ার মাড়াচ্ছেন না ওই সাব-ইন্সপেক্টর।
চিন্তিত নববধূও। এটি তার তৃতীয় বিয়ে। প্রথম পক্ষের স্বামী ছিলেন দরজি। দ্বিতীয় পক্ষ ডাকাত। তৃতীয় পক্ষ পুলিশ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad