নিজস্ব প্রতিনিধি: কোচবিহারের দিনহাটায় ছিটমহল ২০১৫ সালের ৩১ শে জুলাই মধ্যরাতে সেখানে ছিটমহল হস্তান্তর হয়েছিল। এরপর কেটে গেছে বেশ কয়েক বছর।মঙ্গলবার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের চ্যাংড়াবান্ধায় সভায় ছিটমহলের আরও উন্নতি কিভাবে করা যায় সেদিকে দৃষ্টি দিতে বলেছেন। এবং সেখানে নতুন করে স্কুল খোলার ব্যাপারে প্রাইমারি চেয়ারপার্সনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ঠিক সেই নির্দেশ মেনে আজ কোচবিহারের দিনহাটার বাত্রিগাছ এলাকায় সেখানে একটি বাত্রিগাছ প্রাইমারি স্কুল শুভ সূচনা করলেন। কোচবিহার DPSC চেয়ারম্যান ড: কল্যানী পোদ্দার ৭৫ জন ছেলেমেয়ে নিয়ে এই প্রাইমারি স্কুলের শুভ সূচনা হলো।বুধবার স্কুলে প্রথমে দুজন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই স্কুলকে আরো ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ করে স্কুলকে পাকা করা হবে। কিন্তু বর্তমানে এটাকে অস্থায়ীভাবে টিন দিয়ে করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘদিন বঞ্চনার স্বীকার হওয়ার পর অবশেষে সাবেক ছিটমহলে এই প্রাইমারি স্কুল হওয়াতে খুশি এলাকার মানুষজন। এটি নিয়ে মোট ১২ টি নতুন প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করা হলো সাবেক ছিটমহলে।এলাকাবাসী খুশি তারা চান, ছিটমহল হস্তান্তরের পর যারা ভারতীয় ভূখণ্ডে বসবাস করছেন তারা যেন আরো বেশি সুযোগ-সুবিধা পায় ।
নিজস্ব প্রতিনিধি: কোচবিহারের দিনহাটায় ছিটমহল ২০১৫ সালের ৩১ শে জুলাই মধ্যরাতে সেখানে ছিটমহল হস্তান্তর হয়েছিল। এরপর কেটে গেছে বেশ কয়েক বছর।মঙ্গলবার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের চ্যাংড়াবান্ধায় সভায় ছিটমহলের আরও উন্নতি কিভাবে করা যায় সেদিকে দৃষ্টি দিতে বলেছেন। এবং সেখানে নতুন করে স্কুল খোলার ব্যাপারে প্রাইমারি চেয়ারপার্সনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ঠিক সেই নির্দেশ মেনে আজ কোচবিহারের দিনহাটার বাত্রিগাছ এলাকায় সেখানে একটি বাত্রিগাছ প্রাইমারি স্কুল শুভ সূচনা করলেন। কোচবিহার DPSC চেয়ারম্যান ড: কল্যানী পোদ্দার ৭৫ জন ছেলেমেয়ে নিয়ে এই প্রাইমারি স্কুলের শুভ সূচনা হলো।বুধবার স্কুলে প্রথমে দুজন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই স্কুলকে আরো ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ করে স্কুলকে পাকা করা হবে। কিন্তু বর্তমানে এটাকে অস্থায়ীভাবে টিন দিয়ে করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘদিন বঞ্চনার স্বীকার হওয়ার পর অবশেষে সাবেক ছিটমহলে এই প্রাইমারি স্কুল হওয়াতে খুশি এলাকার মানুষজন। এটি নিয়ে মোট ১২ টি নতুন প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করা হলো সাবেক ছিটমহলে।এলাকাবাসী খুশি তারা চান, ছিটমহল হস্তান্তরের পর যারা ভারতীয় ভূখণ্ডে বসবাস করছেন তারা যেন আরো বেশি সুযোগ-সুবিধা পায় ।

No comments:
Post a Comment