‘সিআর সেভেন’-এর বান্ধবীর তালিকা সুবিশাল। প্যারিস হিল্টন, বিপাশা বসু, কিম কারদাশিয়ান থেকে বর্তমানে জর্জিনা রড্রিগেজ রোনাল্ডো ভালবাসায় কোনওদিনও কার্পণ্য করেননি।
বিশ্বকাপের মাঝেই দল বদলের দামামা বাজিয়ে দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। রিয়াল ছেড়ে জুভেন্তাসে মহাতারকার যোগ দেওয়ার সম্ভবনা তৈরি হতেই ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন তিনি। তবে এর মধ্যেই রোনাল্ডোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে পাপারাৎজিরা ব্যস্ত।ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো কি সমকামী? এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল এক ফরাসি টিভি। সেই ফরাসি টিভি চ্যানেলের দাবি ছিল রোনাল্ডোর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক রয়েছে তাঁর মরোক্কান বয়ফ্রেন্ড বদর হরির। যিনি আবার একজন বিখ্যাত কিক বক্সার।
এমনিতে ‘সিআরসেভেন’-এর বান্ধবীর তালিকা সুবিশাল। প্যারিস হিল্টন, বিপাশা বসু, কিম কারদাশিয়ান থেকে বর্তমানে জর্জিনা রড্রিগেজ— রোনাল্ডো ভালবাসায় কোনওদিনও কার্পণ্য করেননি। ইরিনা শায়েকের সঙ্গে দীর্ঘতম সম্পর্কের মায়াজাল থেকেও বেরিয়ে এসেছেন তিনি।
তবে বিশ্বকাপের মধ্যেই ফের শিরোনামে রোনালদোর পুরুষ-বন্ধু বদর হরি। পর্তুগালের জার্সিতে রোনালদোর প্রথম ম্যাচই ছিল স্প্যানিয়ার্ডদের বিপক্ষে। সেই ম্যাচের আগেই বদর হরি টুইট করে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। রোনাল্ডো নিজের দেশীয় সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনের ছবি পোস্ট করেছিলেন। ক্যাপশন ছিল ‘রেডি’। বদর লেখেন, ‘তোমার জন্য শুভেচ্ছা রইল। মরোক্কোর ফুটবল সমর্থকরা তোমার সঙ্গে রয়েছে।’’
আগে থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা ছিল, এরপরেই জোরালো হয় বদর হরির সঙ্গে রোনালদোর গুপ্ত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা। ফরাসি এক টিভি-তে জানানো হয়, মাদ্রিদে থাকার সময়ে প্রায়ই নিজস্ব প্রাইভেট জেট প্লেনে হরির সঙ্গে সময় কাটাতে কখনও মরোক্কোয়, কখনও আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উড়ে যেতেন। কখনও কখনও সপ্তাহে তিন-চারদিনও পাড়ি দিতেন প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজও রোনালদোর অত্যধিক মরোক্কোয় উড়ে যাওয়া নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন একসময়ে। সেই ফরাসি টিভি চ্যানেলের বিতর্কিত শো-য়ে দাবি করা হয়, রোনাল্ডো নিজের নাকেও প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। ইরিনা শায়েকের সঙ্গে উত্তুঙ্গ প্রেমও রোনালদোকে আটকে রাখতে পারেনি বিতর্কিত সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া থেকে।একাধিকবার রোনালদোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছবি তুলতে দেখা গিয়েছে মরোক্কোর কিক বক্সার হরিকে। একটি ছবিতে রোনালদোকে পাঁজাকোলা করে তুলে ধরেছিলেন তিনি। ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘‘সদ্য বিবাহিত। তোমাকে তুলে ধরার জন্য সবসময়েই আমি হাজির।’’
রোনালদোর ফ্যাশন, স্টাইল স্টেটমেন্ট বরাবরেই শিরোনামে থেকেছে। একবার তো তাঁর বিশেষ ম্যাগাজিনের অনলাইন ভোটিংয়ে বিশ্বের সেরা ‘গে আইকন’ নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিতর্ক জিইয়ে রেখে রোনালদোও একবার জানিয়েছেন, ‘‘আমি নিজের যৌনতা নিয়ে স্বচ্ছন্দ। আমার ক্ষেত্রে কোনও কিছুই সমস্যার নয়।’’ ২০১০ সালে পর্তুগালে সমকামী বিবাহ নিয়ে জোর ঝড় উঠেছিল। সেই সময়ে রোনাল্ডো সমকামী বিবাহের পক্ষেই নিজের রায় দিয়েছিলেন।


No comments:
Post a Comment