মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির কারনে অর্ধ দিবস করে বন্ধ করা হয়েছিল স্কুল।প্রধান শিক্ষক না থাকায় তাঁর অনুমতি নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেন সহ শিক্ষক। কিন্তু কি কারনে স্কুল বন্ধ করা হলো তার কৈফিয়ত চেয়ে সহ শিক্ষকের সঙ্গে অন্য শিক্ষকদের শুরু হয় বাদানুবাদ। পরে তা গড়ায় হাতাহাতি পর্যন্ত।এই ঘটনায় আহত হন ওই সহ শিক্ষক। নাম মকলুকা রহমান ।
আহত শিক্ষক কে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনা টি ঘটেছে দক্ষিন ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার মহেশপুর হাইস্কুলে। স্থানীয় ও স্কুল সূত্রে খবর, প্রধান শিক্ষক মিহির কুমার আচার্য বৃহস্পতিবার স্কুলে আসে নি।বৃষ্টির কারনে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা স্কুলে ছিল হাতে গোনা। আর তাই টিফিনের পর স্কুল ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার পুনরায় স্কুল শুরু হলে মিডে মিলের পর গন্ডোগল বাধে। ছাত্র দের অভিযোগ "প্রধান শিক্ষকের ঘরের সামনে ঘটে এই ঘটনা। কিল চড় সবই পড়ে ওই শিক্ষকের উপর।এরপর নাকে কাঠের স্কেল দিয়ে মারধর করে নাক ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।"স্কুলের ছাত্র ছাত্রী দের সামনে এই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়ায় স্কুলে। বন্ধ করে দেওয়া হয় স্কুল। পরে অবশ্য থানা থেকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এবিষয়ে সহ শিক্ষক মকলুকা রহমান বৈদ্য বলেন, " আমি কেনও ছুটি দিয়েছি তাই নিয়ে বাদানুবাদ হয় আমারই সহ - কর্মিদের সঙ্গে । এক সময় আমাকে মারধর ও করা হয়। প্রধান শিক্ষকের সামনে এই ঘটনাটি ঘটলে ও তিনি বাধা দেননি। এমন কি ছাত্ররা আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাদের ও বাধা দেওয়া হয় " তবে এই বিষয় নিয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন প্রধান শিক্ষক মিহির বাবু।

No comments:
Post a Comment