পরিবারের বড় ছেলে হু মিং (৫৪) একজন অধ্যাপক। তিনি কেবল শিক্ষার্থীদের পুথিগত শিক্ষা দেন না, মানবিকতার শিক্ষাও দিয়ে থাকেন। তিনি মনে করেন, মানবিকতার শিক্ষাই জীবনের আসল শিক্ষা।
চীনের এ শিক্ষক প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস আসেন। কিন্তু এই বয়সে কেন মাকে সঙ্গে নিয়ে আসেন এ বিষয়ে তিনি জানান, তার মা আলঝেইমারে আক্রান্ত। তাকে দেখাশোনা করার কেউ না থাকায় তাকে নিয়ে ক্লাস করাতে আসেন।
তিনি আরও জানান, ২০১১ সালে সেরিব্রাল হেমারেজে বাবা মারা যান। এরপর আলঝেইমারে আক্রান্ত হন মা। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মা কিছুই মনে রাখতে পারেন না। শুধুমাত্র নিজের অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কারো অস্তিত্বই টের পান না। এ অবস্থায় হু মিং বাড়িতে ছোট বোনদের কাছে ৮৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা এ মাকে রেখে আসতে ভরসা করেন না।

তার কাছে আবারও জানতে চাওয়া হয়, কেন তিনি মায়ের সেবার জন্য পরিচারিকা রাখছেন না? উত্তরে বলেন, মায়ের দেখাশোনার জন্য অন্য বিকল্পের প্রশ্নই আসে না।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিয়ে খুব মানবিক বিবেচনাতেই নিয়েছেন। কেউ কোনো আপত্তি তোলেনি।
শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাপকের অসাধারণ মাতৃভক্তি দেখে তারা বেশ মুগ্ধ। ঘটনাটি তাদের মনকে নাড়া দিয়েছে।
চীনের এ শিক্ষক প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাস আসেন। কিন্তু এই বয়সে কেন মাকে সঙ্গে নিয়ে আসেন এ বিষয়ে তিনি জানান, তার মা আলঝেইমারে আক্রান্ত। তাকে দেখাশোনা করার কেউ না থাকায় তাকে নিয়ে ক্লাস করাতে আসেন।
তিনি আরও জানান, ২০১১ সালে সেরিব্রাল হেমারেজে বাবা মারা যান। এরপর আলঝেইমারে আক্রান্ত হন মা। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মা কিছুই মনে রাখতে পারেন না। শুধুমাত্র নিজের অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কারো অস্তিত্বই টের পান না। এ অবস্থায় হু মিং বাড়িতে ছোট বোনদের কাছে ৮৪ বছর বয়সী বৃদ্ধা এ মাকে রেখে আসতে ভরসা করেন না।
তার কাছে আবারও জানতে চাওয়া হয়, কেন তিনি মায়ের সেবার জন্য পরিচারিকা রাখছেন না? উত্তরে বলেন, মায়ের দেখাশোনার জন্য অন্য বিকল্পের প্রশ্নই আসে না।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টিয়ে খুব মানবিক বিবেচনাতেই নিয়েছেন। কেউ কোনো আপত্তি তোলেনি।
শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাপকের অসাধারণ মাতৃভক্তি দেখে তারা বেশ মুগ্ধ। ঘটনাটি তাদের মনকে নাড়া দিয়েছে।
No comments:
Post a Comment