দশম শ্রেনীর ছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল পাথরঘাটা হাইস্কুলে। অভিযোগ স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অরিন্দম কুমার মন্ডল স্কুলেরই দশম শ্রেনীরএক ছাত্রীর সঙ্গে শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। সেই ছবি ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। ছাত্র ছাত্রী এবং অভিভাবকররা অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারনের দাবীতে সরব হয়। দাবী না মানায় স্কুলে ব্যাপক ভাংচুর চালায় তারা। অভিযোগ শিক্ষক এর আগেও এই ধরনের কান্ড ঘটিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ অরিন্দম মন্ডল প্রত্যেক বছর উচু ক্লাসের ছাত্রীদের টার্গেট করে। কাউকে পরীক্ষায় পাস করার প্রলোভন দেখিয়ে আবার কাউকে ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাদের যৌন হেনস্থা করে। স্কুলের লাইব্রেরীতেও ছাত্রীদের উত্যক্ত করে ওই শিক্ষক। কোচিং ক্লাসে ছাত্রীদের যৌন নির্যাতন করেন তিনি। আরো জানা গেছে এর আগে স্কুলের এক ছাত্রীর প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিলেন ওই শিক্ষক। সেইবারও একই অভিযোগ উঠেছিল। পরে জানাজানি হওয়ায় তাকেই বিয়ে করেন তিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষ সবকিছু জেনেও চুপ অভিযোগ ছাত্র ছাত্রীদের। তারা দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞান বিভাগের ওই শিক্ষকের আচরনে ক্ষুব্ধ।
কয়েকদিন আগে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীর সঙ্গে ওই শিক্ষক জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে। সেই ছবি লুকিয়ে তোলে এক ছাত্র। সেই ছবি আজ দুপুরে স্কুল চলাকালীন ভাইরাল হয়। ছবি ভাইরাল হতেই সকলের রোষ আছড়ে পড়ে ওই শিক্ষকের ওপর। ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকরা স্কুল চত্বরে ওই শিক্ষকের অপসারনের দাবীতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু। কিন্তু স্কুলের তরফে কোন সদুত্তর না মেলায় স্কুলের ভাঙচুর করে তারা। স্কুলের পোশাক পড়া ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়রা স্কুলের গেট, জানালা, বেঞ্চ ও আসবাবপত্র ভেঙে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রাজারহাট থানার পুলিশ। অরিন্দম মন্ডলকে আটক করে পুলিশকে ওই অশ্লীল ছবি ভাইরাল করল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment