সমাজে বেশিরভাগ স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন মানুষ ডান হাতে লিখে থাকেন। কেউ কেউ অবশ্য বাম হাতেও লিখে থাকেন। তবে দু’হাতে কি সবাই লিখতে পারেন? তা হয়তো পারেন। তবে তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। কিন্তু ভারতেই একটি স্কুল রয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীদের দু’হাতে লেখার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
এই স্কুলের পড়ুয়াদের রয়েছে দু’হাতে একসাথে লেখার দক্ষতা।
মধ্যপ্রদেশের সিঙ্গরৌলী জেলাতে অবস্থিত বীণী বাদিনী স্কুলের ছাত্রদের দু’হাতে লেখার অতুলনীয় গুণ রয়েছে। স্কুলটিতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। যারা প্রত্যেকেই দু’হাতে লিখতে অভ্যস্ত। এখানে কয়েকজন ছাত্র এমনও রয়েছে যারা দু’হাতে দু’রকমের ভাষা লিখতে পারে।
এই স্কুলের পড়ুয়াদের দেবনাগরী লিপি, স্প্যানিশ, উর্দু, রোমান এবং ইংরেজি ভাষাসহ আরও অনেক ভাষার জ্ঞান রয়েছে। এই অভ্যাস পড়ুয়াদের নতুন ভাষা শিখতে এবং একসাথে দুটো ভাষা লিখতে সাহায্য করে। ৪৫ মিনিটের ক্লাশের ১৫ মিনিটই দু’হাতে লেখার উপর জোর দেয়া হয়।
স্কুল পড়ুয়ারা ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের কাছ থেকে এই প্রতিভার প্রেরণা পেয়েছে। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের স্মরণে এই স্কুলটি খোলা হয়। তিনি নিজেও লেখার জন্য দু’হাত ব্যবহার করতেন। বিপি শর্মা নামের এক সাবেক সৈনিক ১৯৯৯ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
এই স্কুলের পড়ুয়াদের রয়েছে দু’হাতে একসাথে লেখার দক্ষতা।
মধ্যপ্রদেশের সিঙ্গরৌলী জেলাতে অবস্থিত বীণী বাদিনী স্কুলের ছাত্রদের দু’হাতে লেখার অতুলনীয় গুণ রয়েছে। স্কুলটিতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। যারা প্রত্যেকেই দু’হাতে লিখতে অভ্যস্ত। এখানে কয়েকজন ছাত্র এমনও রয়েছে যারা দু’হাতে দু’রকমের ভাষা লিখতে পারে।
এই স্কুলের পড়ুয়াদের দেবনাগরী লিপি, স্প্যানিশ, উর্দু, রোমান এবং ইংরেজি ভাষাসহ আরও অনেক ভাষার জ্ঞান রয়েছে। এই অভ্যাস পড়ুয়াদের নতুন ভাষা শিখতে এবং একসাথে দুটো ভাষা লিখতে সাহায্য করে। ৪৫ মিনিটের ক্লাশের ১৫ মিনিটই দু’হাতে লেখার উপর জোর দেয়া হয়।
স্কুল পড়ুয়ারা ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের কাছ থেকে এই প্রতিভার প্রেরণা পেয়েছে। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের স্মরণে এই স্কুলটি খোলা হয়। তিনি নিজেও লেখার জন্য দু’হাত ব্যবহার করতেন। বিপি শর্মা নামের এক সাবেক সৈনিক ১৯৯৯ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন।
No comments:
Post a Comment