অন্যান্য টিনএজারদের মতোই তার আসন্ন ১৫ বছরের জন্মদিন নিয়ে খুবই উচ্ছ্বাস ছিল তার। কিন্তু জন্মদিনের আগেই ঘটল সেই অদ্ভুত ঘটনাটি। প্রথমে সে ভেবেছিল তার পেটে কিছু সমস্যা হয়েছে তাই স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হয়ে গিয়েছে পেট। কিন্তু তার পরে সে বুঝতে পারে যে মা হতে চলেছে সে।
সেটা ২০১৪ সাল, ১৫ বছরের জন্মদিনের দিন তিনেক আগে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ব্রেক-আপ হয় আর তার পরেই শুরু হয় প্রসববেদনা। তখনও সে ভেবেছিল পেটের কোনও অসুখে এমন যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু তার পর জন্ম নেয় তার সন্তান। সবটাই ঘটেছিল পরিবারের সকলের চোখের আড়ালে, তার নিজের বেডরুমের একান্তে।
শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে ঠান্ডা মাথায় সে একটি কাঁচি দিয়ে নাড়ি কাটে। তখনই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল নাকি সে মৃত সন্তানই প্রসব করেছিল তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তাকারী দলের চিকিৎসকদের মত, শিশুটি জন্ম নেওয়ার ২ মিনিটের মধ্যেই মারা যায়।
১৪ বছরের সেই কিশোরী শিশুটিকে কাপড়ে মুড়ে বেশ কিছুদিন ধরে লুকিয়ে রাখে তার বেডরুমের ডিভানে। তার পর একদিন এক প্রিয় বান্ধবীকে সব কথা খুলে বলে এবং শিশুটিকে কবর দিতে সাহায্য চায়।
এই বীভৎস কাণ্ডটির কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই সেই বান্ধবী জানায় তার অভিভাবকদের। তার পরই প্রকাশ্যে আসে এই অকল্পনীয় ঘটনা। সম্প্রতি ম্যানচেস্টার ইউথ কোর্ট ওই কিশোরীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে একটি শিশুর জন্মকে ধামাচাপা দেওয়ার অপরাধে।
আদালতে সে বহুবার দাবি করেছে যে সে নিজের গর্ভাবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানত না কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণ রয়েছে যে সে তার আগেই এক আত্মীয়কে জানায় যে সে সম্ভবত সন্তানসম্ভবা।
সেটা ২০১৪ সাল, ১৫ বছরের জন্মদিনের দিন তিনেক আগে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ব্রেক-আপ হয় আর তার পরেই শুরু হয় প্রসববেদনা। তখনও সে ভেবেছিল পেটের কোনও অসুখে এমন যন্ত্রণা হচ্ছে। কিন্তু তার পর জন্ম নেয় তার সন্তান। সবটাই ঘটেছিল পরিবারের সকলের চোখের আড়ালে, তার নিজের বেডরুমের একান্তে।
শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে ঠান্ডা মাথায় সে একটি কাঁচি দিয়ে নাড়ি কাটে। তখনই শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল নাকি সে মৃত সন্তানই প্রসব করেছিল তা এখনও জানা যায়নি। তদন্তাকারী দলের চিকিৎসকদের মত, শিশুটি জন্ম নেওয়ার ২ মিনিটের মধ্যেই মারা যায়।
১৪ বছরের সেই কিশোরী শিশুটিকে কাপড়ে মুড়ে বেশ কিছুদিন ধরে লুকিয়ে রাখে তার বেডরুমের ডিভানে। তার পর একদিন এক প্রিয় বান্ধবীকে সব কথা খুলে বলে এবং শিশুটিকে কবর দিতে সাহায্য চায়।
এই বীভৎস কাণ্ডটির কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই সেই বান্ধবী জানায় তার অভিভাবকদের। তার পরই প্রকাশ্যে আসে এই অকল্পনীয় ঘটনা। সম্প্রতি ম্যানচেস্টার ইউথ কোর্ট ওই কিশোরীকে দোষী সাব্যস্ত করেছে একটি শিশুর জন্মকে ধামাচাপা দেওয়ার অপরাধে।
আদালতে সে বহুবার দাবি করেছে যে সে নিজের গর্ভাবস্থা সম্পর্কে কিছুই জানত না কিন্তু আদালতের কাছে প্রমাণ রয়েছে যে সে তার আগেই এক আত্মীয়কে জানায় যে সে সম্ভবত সন্তানসম্ভবা।
No comments:
Post a Comment