মিস ওয়ার্ল্ড হওয়া থেকে বর্তমানের অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সব সময়ই সবার নজর কেড়েছেন। সম্প্রতি রাই সুন্দরির কলেজ জীবনের নানান কথা উঠে এসেছে তার কলেজ জীবনের বন্ধু শিবানীর কথায়। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে রাই সুন্দরিকে নিয়ে বলা তার বান্ধবী শিবানির বিভিন্ন কথা।
শিবানী জানিয়েছেন, তিনি আগে থেকেই মুম্বাইয়ের জয় হিন্দ কলেজে পড়তেন। পরবর্তীকালে ঐশ্বর্য রাই মুম্বাইয়ে কে সি কলেজ ছেড়ে জয় হিন্দ কলেজে ভর্তি হন। তবে কে সি কলেজ জয় হিন্দ কলেজের দূরত্ব বেশি ছিল না।
আর কে সি কলেজের কিছু যুবক ঐশ্বর্যর সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিল। তারা ঐশ্বর্যকে দেখার জন্য প্রায়ই জয় হিন্দ কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকত। শিবানী আরও জানান, তিনি এবং ঐশ্বর্য ট্রেনে করে কলেজে যাতায়ত করতেন।
কলেজে যাওয়ার জন্য তাকে এবং ঐশ্বর্যকে মুম্বাইয়ের খার স্টেশনে নেমে কিছুটা পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হতো। কলেজ জীবনে ঐশ্বর্যর নাকি একটা বড় বন্ধু গ্রুপ ছিল। আর তাদের সঙ্গে রাই সুন্দরি এতটাই ব্যস্ত থাকতেন যে ক্লাস শুরুর শেষ মুহূর্তে তিনি ক্লাসে ঢুকতেন। সে সময় ঐশ্বর্যকে লাস্ট বেঞ্চে বসতে হতো।
তবে শিবানীর কথায় এমনিতে ঐশ্বর্য শেষ বেঞ্চে বসলেও পদার্থ বিদ্যার ক্লাসে ঐশ্বর্য প্রথম বেঞ্চে উঠে আসতেন। তিনি পদার্থ বিদ্যার ঔই শিক্ষকের লেকচার শুনতে ভালোবাসতেন।
পদার্থ বিদ্যার ওই শিক্ষক খুব কঠোর ছিলেন তাই তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতেন ঐশ্বর্য এবং তাতে সফলও হন তিনি। কলেজের ওই পদার্থ বিদ্যার শিক্ষকই তাকে প্রথম কলেজ ম্যাগজিনের জন্য মডেলিং করতে বলেন।
আর কে সি কলেজের কিছু যুবক ঐশ্বর্যর সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিল। তারা ঐশ্বর্যকে দেখার জন্য প্রায়ই জয় হিন্দ কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে থাকত। শিবানী আরও জানান, তিনি এবং ঐশ্বর্য ট্রেনে করে কলেজে যাতায়ত করতেন।
কলেজে যাওয়ার জন্য তাকে এবং ঐশ্বর্যকে মুম্বাইয়ের খার স্টেশনে নেমে কিছুটা পথ হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হতো। কলেজ জীবনে ঐশ্বর্যর নাকি একটা বড় বন্ধু গ্রুপ ছিল। আর তাদের সঙ্গে রাই সুন্দরি এতটাই ব্যস্ত থাকতেন যে ক্লাস শুরুর শেষ মুহূর্তে তিনি ক্লাসে ঢুকতেন। সে সময় ঐশ্বর্যকে লাস্ট বেঞ্চে বসতে হতো।
তবে শিবানীর কথায় এমনিতে ঐশ্বর্য শেষ বেঞ্চে বসলেও পদার্থ বিদ্যার ক্লাসে ঐশ্বর্য প্রথম বেঞ্চে উঠে আসতেন। তিনি পদার্থ বিদ্যার ঔই শিক্ষকের লেকচার শুনতে ভালোবাসতেন।
পদার্থ বিদ্যার ওই শিক্ষক খুব কঠোর ছিলেন তাই তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করতেন ঐশ্বর্য এবং তাতে সফলও হন তিনি। কলেজের ওই পদার্থ বিদ্যার শিক্ষকই তাকে প্রথম কলেজ ম্যাগজিনের জন্য মডেলিং করতে বলেন।

No comments:
Post a Comment