সরকার কর্তৃক প্রদেয় সুযোগ সুবিধা সমুহ বন্ধ ও অচল চাবাগানের মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার প্রকল্প রাজ্য সরকার নিয়েছে।সেই প্রকল্প বাস্তবে রুপায়িত করতে রবিবার ডুয়ার্সের মাল ব্লকের অচল চাবাগান কুমলাইতে অনুষ্ঠিত হল সরকারি সুবিধা সমুহ প্রদানের সচেতনতা শিবির।
রবিবার সকাল ১১ টা এই সচেতনতা শিবিরের উদ্বোধন করেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব।উপস্থিত ছিলেন এসজেডিএর চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী, জেলা শাসক শিল্পা গৌরি সারিয়া, এসপি অমিতাভ মাইতি সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের আধিকারিকরা।
উদ্বোধন করে মন্ত্রী শ্রী দেব বলেন,মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় বন্ধ ও অচল চাবাগানের মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা সমুহ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কর্মসুচি নেওয়া হয়েছে।সেই পরিকল্পনার বাস্তব রুপ দিতে আজকের এই অনুস্টান।কন্যাশ্রী,রুপশ্রী,সমব্যথী সহ অন্যান্য সুবিধা চাবাগানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।রাজ্যে একের পর এক উন্নয়ন মুলক কাজ হচ্ছে।দীর্ঘ ৪০ বছরের দাবী সার্কিট বেঞ্চ।সেই সার্কিট বেঞ্চ জলপাইগুড়িতে হতে যাচ্ছে। গজালডোবাতে পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে।পর্যটনের প্রসারে নানান প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।এই সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই কর্মসূচী।
সৌরভ চক্রবর্তী বলেন,উত্তর বংগের বিরাট সমস্যা বন্ধ ও অচল চাবাগান। সরকারি ভাবে বিভিন্ন সাহাজ্য করা চলছে।কিন্তু,সেটা স্থায়ী সমাধান নয়।স্থায়ী সমাধান হলো চাবাগান খোলা।সকালবেলা কারখানার ভোঁ শুনলে শ্রমিকদের মনে আনন্দ হয়।তাই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন চাবাগান খুলতে।বর্তমানে ৫টি চাবাগান বন্ধ রয়েছে।খোলার চেষ্টা হচ্ছে।এই কুমলাই বাগান একজন নিতে চেয়েছে।কথা চলছে দ্রুত বাগান খুলে যাবে।
রবিবার এই উপলক্ষে এই চাবাগানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের স্টল দেওয়া হয়।বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকরা মানুষের অভিযোগ শোনেন। মঞ্চ থেকে মন্ত্রী গৌতম দেব কন্যাশ্রী,রুপশ্রী সহ অন্যান্য সুবিধা প্রাপকদের শংসাপত্র ও বিভিন্ন অনুদান শ্রমিক পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
এদিন চাবাগানের শ্রমিকদের বিভিন্ন সুবিধা মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কুমলাই,গুডহোপ সহ অন্যান্য চাবাগানে দারুণ সারা পড়ে।

No comments:
Post a Comment