চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: মারন রোগ স্ক্রাব টাইফাসে আতংকিত রাজ্যবাসী।আতংকিত না হয়ে যদি সঠিক সময় চিকিৎসা শুরু করা যায় তবেই বাঁচতে পারবে মানুষ। এ বিষয়ে মেচগ্রামে এক হাসপাতালের ডাক্তার প্রবীর ভৌমিক জানান,স্ক্রাব টাইফাস মারাত্মক ভাইরাস রোগ। সঠিক সময় ধরা পড়লে তবেই তা নিরাময় করা সম্ভব। মূলত ছোট শিশুরাই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। টানা কেউ যদি জ্বরে ভুগতে থাকে এবং তার ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড,ডেঙ্গু পরীক্ষা করালে সব কিছু নরমেল থাকে। তাহলে তাকে একবার স্ক্রাব টাইফাস অ্যান্টিবডি টেস্ট করিয়ে নেওয়া দরকার। সাধারন এই রোগের লক্ষণ গুলো দেখা যায় জ্বর গা হাত পা ব্যথা। গায়ে র্যাস,গ্ল্যান্ডে ব্যথা। এছাড়াও শরীরের কোন জায়গাতে সিগারেটর ছ্যাঁকার মতো কনো চিহ্ন দেখা যেতে পারে। তবে টানা জ্বরে হলে না কমলে ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড,ডেঙ্গু পরীক্ষায় সব নেগেটিভ থাকলে। অবশ্যই স্ক্রাব টাইফাস অ্যান্টিবডি টেস্ট করানোর দরকার আছে। সাধারনত এই ভাইরাস গুলো বহন করে ছারপোকার মতো দেখতে একধরনের একটি ছোট পোকা। আর এই পোকা গুলি সাধারনত গেছো ইঁদুর ও বন্য বেড়ালের গায়ে বাসা বেঁধে থাকে।
ডাক্তার প্রবীর ভৌমিক আরও জানান,পূর্ব মেদিনীপুর হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে ১৫ জন শিশুর মধ্য এই রোগ ধরা পড়েছে। এবং তিনি তাদের চিকিৎসা করছেন। এই পনের জন শিশুই এখন প্রায় সুস্থ। তবে চিকিৎসার পাশাপাশি মানুষকেই সচেতন হতে বাড়ির আসে পাশে জঞ্জল পরিস্কার রাখতে হবে যাতে বড় ইঁদুরের বাসা না তৈরি হয়। তাছাড়া বিশেষ করে বাচ্চাদের খোলা জলাজঞ্জলে যেতে না দেওয়া। জ্বর হলে আগেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া। কারন এই স্ক্রাব টাইফাস মারন রোগের অ্যান্টিবডি টেস্ট সরকারি ভাবে করার কোন জায়গায় এখনো তৈরি হয় নি। বেসরকারি ভাবেই সব করাতে হয়।

No comments:
Post a Comment