এটাই এখন বাস্তব চিত্র আসানসোল পুরসভার ৯৪নং ওয়ার্ড তথা ধেনুয়া কালাঝরিয়া গ্রামগুলির সাথে বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া - বামুন তোড় -রায়তোড় গ্রামগুলির ৷ প্রতি বর্ষাতেই এই একই চিত্র ধরা থাকে দঃবঙ্গের এই প্রান্ত সীমান্তে ৷ ভৌগলিক অবস্থানগত ভাবে বাঁকুড়া পুরুলিয়া জেলা থেকে পঃবর্ধমান কে আলাদা করে রেখেছে দামোদর নদী৷স্থলপথে জেলা গুলির একে অপরের যোগাযোগ বলতে ডিসেরগড় পারবেলিয়া হয়ে পঃবর্ধমান থেকে পুরুলিয়া জেলা অথবা রাণীগঞ্জ মেজিয়া হয়ে বাঁকুড়া বা দুর্গাপুর ব্যারেজ হয়ে বাঁকুড়া৷ মাঝখানে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যোগাযোগ বলতে আসানসোল আদ্রা ডিভিসনের রেল সেতু৷দীর্ঘদিন ধরেই এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের দাবি দুই জেলার মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাঝামাঝি জায়গায় একটি স্থায়ী সেতুর৷বিশেষত পঃবর্ধমান জেলার সদর শহর আসানসোলের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ গড়ে তুলতে পারবে বাঁকুড়া জেলার শেষ সীমানার গ্রাম গুলি৷অবস্থান গত ভাবে বাঁকুড়া জেলার সদর শহরের থেকে সীমানার গ্রাম ও জনবসতির দূরত্ব অনেক বেশি,তুলনায় আসানসোল অনেক কাছে৷সীমানার এই গ্রাম ও জনবসতি অঞ্চলগুলির মানুষ জীবণ ধারণ ও জীবিকার স্বার্থে আসানসোলের উপর বেশি নির্ভরশীল৷দিন-মজুর হোক বা ছানা ব্যবসায়ী,ইস্কো-বার্ণ এর কর্মচারী হোক বা সব্জি-চাল উৎপাদনকারী কৃষক তাদের যাতায়াতের মাধ্যম হয় রেলপথ অথবা ৫০-৬০কিমি ঘুরে যাওয়া রাস্তা৷তাই জীবণকে স্বাভাবিক করতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া বামুনতোড়ের মতো ৫০টি গ্রাম আসানসোল পুরসভার কালাঝোরিয়া ধেনুয়ার সাথে কর্ত্তিক মাস থেকে যোগাযোগ গড়ে তোলে বাঁশের সাঁকো দিয়ে৷ কিন্তু বর্ষা আসলেই সেই অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো জলের তোড়ে উধাও হয়ে যায় ৷ তখন পারাপার বলতে এক পারানির নৌকা ৷ আবার সেই নৌকাও পারাপার বন্ধ করে দেয় নদী দুকুল ছাপিয়ে প্লাবিত হতে শুরু করলে ৷ফলে সে সময় স্কুল কলেজের ছাত্রী থেকে রোগী অথবা জীবন ধারনের দিন মজুর সকলেই গৃহবন্দি হয়ে পড়ে ৷ সব কিছুই তখন ভগবান ভরসা ৷বাঁশের সাঁকো অথবা বর্ষার ভরা নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার লাইভ জ্যাকেট ব্যবস্থানিয়ে ৷ তাদের এইভাবে পারাপারের কারণ জানতে চাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বাঁকুড়া সদরে তাদর পৌঁছানোর চাইতে আসানসোল তাদের অনেক কাছের৷জেলা হাসপাতাল থেকে স্কুল কলেজ বাজার সবই হাতের নাগালে হওয়ায় তারা আসানসোলের উপর বেশি নির্ভরশীল৷দীর্ঘদিন ধরে তারা এই অঞ্চলে স্থায়ী সেতুর দাবি রাখলেও তাদের দাবি উপেক্ষিত হয়েই এসেছে৷ স্থায়ী সেতুর দাবি নিয়ে নদীর ওপারের গ্রামগুলি , বিশেষত রায়তোড় , বামুনতোড় , শালতোড়এর অধিবাসীরা টানা দেড়মাস অনশন আন্দোলন চালায় ৷ সরকারের পরিবর্তন হওয়ার পর একবার বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও তারপর কোনো এক অলিখিত কারণে স্থায়ী সেতু আজো নির্মান হয়নি৷ফলে বর্ষাকাল ছাড়া সরকার থেকে যারা এই ঘাটের লিজ নেয়,মানুষের যাতায়াতের জন্য তারা বাঁশের এই অস্থায়ী সাঁকো তৈরী করে দেয়৷বর্ষায় এই অঞ্চলের মানুষ নৌকায় পারাপার করে৷নৌকাও চলে সারাদিনে দুবার ৷ বিশেষত ভোর পাঁচটা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৷আবার বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৷ রাত্রে বা দিনের অন্যসময় অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই যাত্রীদের ৷ অথচ ৫০টি গ্রামের প্রায় ১০০০০ মানুষ এই স্থানে স্থায়ী সেতুর দিকে তাকিয়ে ৷ আমরা বিষয়টি নিয়ে আসানসোল দঃ এর বিধায়ক ও এডিডিএর চেয়ারম্যান তাপস ব্যানার্জীর সাথে কথা বলেন ৷ সেতু তৈরীর বিষয়টি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রের সরকারের হাতে থাকে ৷ রামবিলাস পাশোয়ান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকার সময় এ বিষয়ে কিছুটা কাজ এগোলেও পরে কেন্দ্রের সরকারের স্বদিচ্ছার অভাবেই কাজটি সম্পন্ন হয়নি ৷তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জমিগত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়েছিল ৷ আশা করা যায় ভবিষ্যতে স্থায়ী সেতু নির্মান সম্ভব হবে ৷
এটাই এখন বাস্তব চিত্র আসানসোল পুরসভার ৯৪নং ওয়ার্ড তথা ধেনুয়া কালাঝরিয়া গ্রামগুলির সাথে বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া - বামুন তোড় -রায়তোড় গ্রামগুলির ৷ প্রতি বর্ষাতেই এই একই চিত্র ধরা থাকে দঃবঙ্গের এই প্রান্ত সীমান্তে ৷ ভৌগলিক অবস্থানগত ভাবে বাঁকুড়া পুরুলিয়া জেলা থেকে পঃবর্ধমান কে আলাদা করে রেখেছে দামোদর নদী৷স্থলপথে জেলা গুলির একে অপরের যোগাযোগ বলতে ডিসেরগড় পারবেলিয়া হয়ে পঃবর্ধমান থেকে পুরুলিয়া জেলা অথবা রাণীগঞ্জ মেজিয়া হয়ে বাঁকুড়া বা দুর্গাপুর ব্যারেজ হয়ে বাঁকুড়া৷ মাঝখানে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যোগাযোগ বলতে আসানসোল আদ্রা ডিভিসনের রেল সেতু৷দীর্ঘদিন ধরেই এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের দাবি দুই জেলার মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাঝামাঝি জায়গায় একটি স্থায়ী সেতুর৷বিশেষত পঃবর্ধমান জেলার সদর শহর আসানসোলের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ গড়ে তুলতে পারবে বাঁকুড়া জেলার শেষ সীমানার গ্রাম গুলি৷অবস্থান গত ভাবে বাঁকুড়া জেলার সদর শহরের থেকে সীমানার গ্রাম ও জনবসতির দূরত্ব অনেক বেশি,তুলনায় আসানসোল অনেক কাছে৷সীমানার এই গ্রাম ও জনবসতি অঞ্চলগুলির মানুষ জীবণ ধারণ ও জীবিকার স্বার্থে আসানসোলের উপর বেশি নির্ভরশীল৷দিন-মজুর হোক বা ছানা ব্যবসায়ী,ইস্কো-বার্ণ এর কর্মচারী হোক বা সব্জি-চাল উৎপাদনকারী কৃষক তাদের যাতায়াতের মাধ্যম হয় রেলপথ অথবা ৫০-৬০কিমি ঘুরে যাওয়া রাস্তা৷তাই জীবণকে স্বাভাবিক করতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া বামুনতোড়ের মতো ৫০টি গ্রাম আসানসোল পুরসভার কালাঝোরিয়া ধেনুয়ার সাথে কর্ত্তিক মাস থেকে যোগাযোগ গড়ে তোলে বাঁশের সাঁকো দিয়ে৷ কিন্তু বর্ষা আসলেই সেই অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো জলের তোড়ে উধাও হয়ে যায় ৷ তখন পারাপার বলতে এক পারানির নৌকা ৷ আবার সেই নৌকাও পারাপার বন্ধ করে দেয় নদী দুকুল ছাপিয়ে প্লাবিত হতে শুরু করলে ৷ফলে সে সময় স্কুল কলেজের ছাত্রী থেকে রোগী অথবা জীবন ধারনের দিন মজুর সকলেই গৃহবন্দি হয়ে পড়ে ৷ সব কিছুই তখন ভগবান ভরসা ৷বাঁশের সাঁকো অথবা বর্ষার ভরা নদীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার লাইভ জ্যাকেট ব্যবস্থানিয়ে ৷ তাদের এইভাবে পারাপারের কারণ জানতে চাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বাঁকুড়া সদরে তাদর পৌঁছানোর চাইতে আসানসোল তাদের অনেক কাছের৷জেলা হাসপাতাল থেকে স্কুল কলেজ বাজার সবই হাতের নাগালে হওয়ায় তারা আসানসোলের উপর বেশি নির্ভরশীল৷দীর্ঘদিন ধরে তারা এই অঞ্চলে স্থায়ী সেতুর দাবি রাখলেও তাদের দাবি উপেক্ষিত হয়েই এসেছে৷ স্থায়ী সেতুর দাবি নিয়ে নদীর ওপারের গ্রামগুলি , বিশেষত রায়তোড় , বামুনতোড় , শালতোড়এর অধিবাসীরা টানা দেড়মাস অনশন আন্দোলন চালায় ৷ সরকারের পরিবর্তন হওয়ার পর একবার বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলেও তারপর কোনো এক অলিখিত কারণে স্থায়ী সেতু আজো নির্মান হয়নি৷ফলে বর্ষাকাল ছাড়া সরকার থেকে যারা এই ঘাটের লিজ নেয়,মানুষের যাতায়াতের জন্য তারা বাঁশের এই অস্থায়ী সাঁকো তৈরী করে দেয়৷বর্ষায় এই অঞ্চলের মানুষ নৌকায় পারাপার করে৷নৌকাও চলে সারাদিনে দুবার ৷ বিশেষত ভোর পাঁচটা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ৷আবার বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৷ রাত্রে বা দিনের অন্যসময় অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই যাত্রীদের ৷ অথচ ৫০টি গ্রামের প্রায় ১০০০০ মানুষ এই স্থানে স্থায়ী সেতুর দিকে তাকিয়ে ৷ আমরা বিষয়টি নিয়ে আসানসোল দঃ এর বিধায়ক ও এডিডিএর চেয়ারম্যান তাপস ব্যানার্জীর সাথে কথা বলেন ৷ সেতু তৈরীর বিষয়টি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রের সরকারের হাতে থাকে ৷ রামবিলাস পাশোয়ান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকার সময় এ বিষয়ে কিছুটা কাজ এগোলেও পরে কেন্দ্রের সরকারের স্বদিচ্ছার অভাবেই কাজটি সম্পন্ন হয়নি ৷তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জমিগত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়েছিল ৷ আশা করা যায় ভবিষ্যতে স্থায়ী সেতু নির্মান সম্ভব হবে ৷

No comments:
Post a Comment