গত ৩ জুলাই থেকে ডুয়ার্সের সমস্ত নদী থেকে প্রশাসনিক নির্দেশে বালি পাথর তোলা বন্ধ রয়েছে।এরফলে কাজ হারিয়ে বসেছে প্রায় দেড় হাজার ট্রাকের সাথে জরিত ট্রাক মালিক,চালক,খালাসি ও শ্রমিক সহ প্রায় ৫ হাজার মানুষ। এরসাথে আছে নদীতে বালি পাথর সংগ্রহের মানুষ। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের রোজগার বন্ধ।নিতান্ত অভাবের মুখে এসে দাড়িয়েছে এই ১০ হাজার মানুষের পরিবার।তাই নদী থেকে বালি পাথর সংগ্রহের প্রক্রিয়া পুনঃ চালু করার দাবী নিয়ে সোমবার মাল এসডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েক হাজার মানুষ।পরে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে মহকুমাশাসকের কাছে স্মারক লিপি দেন।মহকুমাশাসক সিয়াদ এন বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ কারীরা চলে যায়।
শ্রমিকদের পক্ষে মহ: জাবেদ আলি বলেন,প্রায় ১৭ দিন ধরে নদী থেকে বালি পাথর তোলা বন্ধ আছে।আমরা নদী থেকে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে বালি পাথর সংগ্রহ করি।১৭ দিন আমাদের রোজগার নেই।অভাবের মধ্যে আছি।এরপরে সরকারি ভাবে নির্দেশ দিয়েছে উত্তর বংগের নদীর বালি পাথরে কোন সরকারি নির্মাণ কাজ হবে না।তাহলে আমাদের রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে।মালিকরা হয়তো পাকুর থেকে আনার কাজে ট্রাক ব্যবহার করে চলতে পারবেন।কিন্তু,আমাদের কি করব?আমাদের দাবী অবিলম্বে নদী থেকে বালি পাথর সংগ্রহ চালু হোক।এই মর্মে মাননীয় মহকুমাশাসকের কাছে স্মারক পত্র দিয়েছি।তিনি বিষয়টি দেখবেন বলেছেন।
জলপাইগুড়ি ট্রাক মালিকদের পক্ষে শ্রবণ গুপ্তা বলেন,সরকারি নির্দেশে বালি পাথর তোলা বন্ধ আছে।কয়েক হাজার মানুষের কাজ বন্ধ।অচল ও বন্ধ চাবাগানের বহু শ্রমিক নদিতে পাথর ভেংগে রোজগার করেন।তাদের রুজি বন্ধ।তার উপর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উত্তর বংগের নদী সমুহের বালি পাথর সরকারি নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

No comments:
Post a Comment