এম এস সি বায়োটেকনোলজিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তির সুবাদে স্বর্নপদক ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল ওদলাবাড়ির ঘরের মেয়ে নেহা চট্টোপাধ্যায়ের হাতে।সোমবার বিকেলে চেন্নাই নগরীর শ্রী রামচন্দ্র কলেজ অফ বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স,টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর বার্ষিক সমাবর্তন উৎসবে নেহা' র হাতে "ডঃ মুরলী মনোহর জোশী গোল্ড মেডেল" সম্মান তুলে দেন ইংল্যান্ডর গ্লাসগো শহর স্থিত "রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিসিয়ান্স অ্যান্ড সার্জেন্স" র সভাপতি অধ্যাপক ডেভিড জে গ্যালাও।উল্লেখ্য এবছর ৯৮.৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে এই বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন মেধাবী নেহা।আগামীদিনে জার্মানি অথবা আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করার ইচ্ছে রয়েছে নেহার।ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে সে।এদিকে বড় মেয়ের এই সাফল্যের সাক্ষী হতে গতকাল চেন্নাই উড়ে গিয়েছেন নেহার বাবা,মা ও ছোট বোন।মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নেহার বাবা মানস চট্টোপাধ্যায় জানালেন,স্বর্নপদক পাবার পর থেকেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছে নেহা।মা মাধুরী চট্টোপাধ্যায় বলেন, মেয়ের অসম্ভব গর্বের এই দিনে পাশে থাকতে পেরে ভীষন আনন্দ হচ্ছে।দিদির সাফল্য অনুপ্রানিত করেছে ডন বস্কোর ছাত্রী ছোট বোন স্নেহাকেও। ওদলাবাড়ির শিক্ষানুরাগী মহলও নেহার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত।পুজোর ছুটিতে নেহার ওদলাবাড়ি আসার কথা।সেই সময় ওকে জমকালো সম্বর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ওদলাবাড়িতে।
এম এস সি বায়োটেকনোলজিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তির সুবাদে স্বর্নপদক ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হল ওদলাবাড়ির ঘরের মেয়ে নেহা চট্টোপাধ্যায়ের হাতে।সোমবার বিকেলে চেন্নাই নগরীর শ্রী রামচন্দ্র কলেজ অফ বায়োমেডিক্যাল সায়েন্স,টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর বার্ষিক সমাবর্তন উৎসবে নেহা' র হাতে "ডঃ মুরলী মনোহর জোশী গোল্ড মেডেল" সম্মান তুলে দেন ইংল্যান্ডর গ্লাসগো শহর স্থিত "রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিসিয়ান্স অ্যান্ড সার্জেন্স" র সভাপতি অধ্যাপক ডেভিড জে গ্যালাও।উল্লেখ্য এবছর ৯৮.৬ শতাংশ নম্বর পেয়ে এই বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন মেধাবী নেহা।আগামীদিনে জার্মানি অথবা আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করার ইচ্ছে রয়েছে নেহার।ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে সে।এদিকে বড় মেয়ের এই সাফল্যের সাক্ষী হতে গতকাল চেন্নাই উড়ে গিয়েছেন নেহার বাবা,মা ও ছোট বোন।মেয়ের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নেহার বাবা মানস চট্টোপাধ্যায় জানালেন,স্বর্নপদক পাবার পর থেকেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছে নেহা।মা মাধুরী চট্টোপাধ্যায় বলেন, মেয়ের অসম্ভব গর্বের এই দিনে পাশে থাকতে পেরে ভীষন আনন্দ হচ্ছে।দিদির সাফল্য অনুপ্রানিত করেছে ডন বস্কোর ছাত্রী ছোট বোন স্নেহাকেও। ওদলাবাড়ির শিক্ষানুরাগী মহলও নেহার সাফল্যে উচ্ছ্বসিত।পুজোর ছুটিতে নেহার ওদলাবাড়ি আসার কথা।সেই সময় ওকে জমকালো সম্বর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ওদলাবাড়িতে।

No comments:
Post a Comment