লন্ডন, ২৫ এপ্রিল- আমেরিকার পর এবার ব্রিটেনে চালু হলো ন্যাকেড ইয়োগা সেন্টার। সেন্টারে প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ত্রিশজনের মতো। যাদের কারো সাথে কারো পরিচয় নেই।
সবাই সমগোত্রীয় নয়, লিঙ্গের তারতম্যও লক্ষণীয়। আলো আঁধারির স্বপ্ন-মোহমীয় মায়া জড়ানো লাইটের আলো। কারো শরীরে বিন্দুমাত্র কাপড়ের লেশ নেই। সবাই একেবারেই উলঙ্গ।
খোলা শরীর থাকলেও কারো দিকে কারো কোন খেয়াল নেই। সবাই যেন অন্য এক জগতে। শ্বাস-প্রশ্বাসেরও কোন সাড়া শব্দ নেই। একেবারে পিন পতন নীরবতা। সেখানে আছে উঠতি বয়সী তরুণী-তরুণ, যুবা, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা সবাই।
তবে বেশির ভাগই তরুণ-তরুণী। ক্লাস রুমে আছেন একজন ইনস্ট্রাক্টর। তার তত্ত্বাবধানে ব্রিটেনের সাউথ লন্ডনের এই স্টুডিও। এই ক্লাস ও সেন্টারের নাম ন্যাকেড ইয়োগা।
ন্যাকেড ইয়োগা আমেরিকাতে বেশ জনপ্রিয়। তবে উলঙ্গ হয়ে এই মেডিটেশনের ধারণা সাউথ লন্ডনে এটাই প্রথম, যেখানে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সেশনে কাস্টমাররা নিজের রিলাক্সেশন ও বিভিন্ন জটিল সমস্যা উলঙ্গ হয়ে সেশনের মাধ্যমে মেডিটেশন ইয়োগা থ্যারাপি নিতে পারেন।
ন্যাকেড ইয়োগার ইনস্ট্রাক্টর ও কর্ণধার আনিতা জানান, এদেশে অনেক মহিলা আছেন যারা শরীরের নানান সমস্যা- ব্যথা থেকে শুরু করে মাইগ্র্যান, পেটের সমস্যা, জয়েন্ট পেইন ইত্যাদির সমস্যায় শরীর একেবারে খোলে দিয়ে সেশনের মাধ্যমে উপকারী হবেন। তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করে থাকেন বলে জানান।
ন্যাকেড ইয়োগা বা নাগনা ইয়োগা ১৯৬০ সাল থেকে ভারতের বিভিন্ন ধর্মের রীতিতে শাস্ত্রীয় থ্যারাপি হিসেবেই চলে আসছে। ন্যাকেড ইয়োগা মিক্সড-ক্লাসের মাধ্যমে নিউইয়র্ক এবং লসএঞ্জেলসে বেশ জনপ্রিয়।
লন্ডনে এখনো এটা জনপ্রিয় নয় এবং তা নিয়ে রয়েছে অনেক দ্বিমত-জানালেন আনিতা। মেল ক্লাস হিসেবে ইয়োগানো এবং অলটুগেদার ইয়োগা বেশ জনপ্রিয় হলেও আনিতার ন্যাকেড মিক্সড-ক্লাস ইয়োগা এই প্রথম পুরো লন্ডনের মধ্যে এমনকি ব্রিটেনের মধ্যেও।
উলঙ্গ হওয়ার ব্যাপারে আনিতা বলেন, এটা আবশ্যিক না হলেও ক্লাসের মধ্যে শরীর মন আত্মা এমনভাবে ধ্যান মগ্ন করে নেয়া হয় তখন একটি মাত্র টাওয়েলে শরীর জড়িয়ে রাখলে মনেই হবে না কিছু পরে আছেন। রিলাক্সেশনের প্রয়োজনেই একেবারে উলঙ্গ হয়ে ধ্যান মগ্ন হয়ে পড়েন প্রশিক্ষণার্থীরা। তখন আর নিজেকে উলঙ্গ মনে হয় না। এটা বরং তার কাছে ভালো লাগে।
উলঙ্গ হয়ে ১৫ মিনিট ধ্যান মগ্ন হয়েই শুরু করা হয়। ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের এই উলঙ্গ ইয়োগা ক্লাসের সেশনের জন্য খরচ হবে ৭৫ পাউন্ড। এটা সব বয়সের জন্য উপযোগী বলে জানান আনিতা।
সবাই সমগোত্রীয় নয়, লিঙ্গের তারতম্যও লক্ষণীয়। আলো আঁধারির স্বপ্ন-মোহমীয় মায়া জড়ানো লাইটের আলো। কারো শরীরে বিন্দুমাত্র কাপড়ের লেশ নেই। সবাই একেবারেই উলঙ্গ।
খোলা শরীর থাকলেও কারো দিকে কারো কোন খেয়াল নেই। সবাই যেন অন্য এক জগতে। শ্বাস-প্রশ্বাসেরও কোন সাড়া শব্দ নেই। একেবারে পিন পতন নীরবতা। সেখানে আছে উঠতি বয়সী তরুণী-তরুণ, যুবা, বৃদ্ধ, বৃদ্ধা সবাই।
তবে বেশির ভাগই তরুণ-তরুণী। ক্লাস রুমে আছেন একজন ইনস্ট্রাক্টর। তার তত্ত্বাবধানে ব্রিটেনের সাউথ লন্ডনের এই স্টুডিও। এই ক্লাস ও সেন্টারের নাম ন্যাকেড ইয়োগা।
ন্যাকেড ইয়োগা আমেরিকাতে বেশ জনপ্রিয়। তবে উলঙ্গ হয়ে এই মেডিটেশনের ধারণা সাউথ লন্ডনে এটাই প্রথম, যেখানে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সেশনে কাস্টমাররা নিজের রিলাক্সেশন ও বিভিন্ন জটিল সমস্যা উলঙ্গ হয়ে সেশনের মাধ্যমে মেডিটেশন ইয়োগা থ্যারাপি নিতে পারেন।
ন্যাকেড ইয়োগার ইনস্ট্রাক্টর ও কর্ণধার আনিতা জানান, এদেশে অনেক মহিলা আছেন যারা শরীরের নানান সমস্যা- ব্যথা থেকে শুরু করে মাইগ্র্যান, পেটের সমস্যা, জয়েন্ট পেইন ইত্যাদির সমস্যায় শরীর একেবারে খোলে দিয়ে সেশনের মাধ্যমে উপকারী হবেন। তিনি নিজেই ক্লাস পরিচালনা করে থাকেন বলে জানান।
ন্যাকেড ইয়োগা বা নাগনা ইয়োগা ১৯৬০ সাল থেকে ভারতের বিভিন্ন ধর্মের রীতিতে শাস্ত্রীয় থ্যারাপি হিসেবেই চলে আসছে। ন্যাকেড ইয়োগা মিক্সড-ক্লাসের মাধ্যমে নিউইয়র্ক এবং লসএঞ্জেলসে বেশ জনপ্রিয়।
লন্ডনে এখনো এটা জনপ্রিয় নয় এবং তা নিয়ে রয়েছে অনেক দ্বিমত-জানালেন আনিতা। মেল ক্লাস হিসেবে ইয়োগানো এবং অলটুগেদার ইয়োগা বেশ জনপ্রিয় হলেও আনিতার ন্যাকেড মিক্সড-ক্লাস ইয়োগা এই প্রথম পুরো লন্ডনের মধ্যে এমনকি ব্রিটেনের মধ্যেও।
উলঙ্গ হওয়ার ব্যাপারে আনিতা বলেন, এটা আবশ্যিক না হলেও ক্লাসের মধ্যে শরীর মন আত্মা এমনভাবে ধ্যান মগ্ন করে নেয়া হয় তখন একটি মাত্র টাওয়েলে শরীর জড়িয়ে রাখলে মনেই হবে না কিছু পরে আছেন। রিলাক্সেশনের প্রয়োজনেই একেবারে উলঙ্গ হয়ে ধ্যান মগ্ন হয়ে পড়েন প্রশিক্ষণার্থীরা। তখন আর নিজেকে উলঙ্গ মনে হয় না। এটা বরং তার কাছে ভালো লাগে।
উলঙ্গ হয়ে ১৫ মিনিট ধ্যান মগ্ন হয়েই শুরু করা হয়। ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের এই উলঙ্গ ইয়োগা ক্লাসের সেশনের জন্য খরচ হবে ৭৫ পাউন্ড। এটা সব বয়সের জন্য উপযোগী বলে জানান আনিতা।
No comments:
Post a Comment