চা গাছের ঝোপের আড়ালে চা শ্রমিকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য দেখা দিল মালবাজার মহকুমার বাগরাকোট গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত লিশরিভার চা বাগানের হোপ ডিভিশনে।মনিরাম মাহালি(৩৮) নামে হোপ ডিভিশনের ওই চা শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় চা বাগানের হাসপাতালে ভর্তি ছিল।কিন্তু গত ৩ দিন আগে সে হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।আশ্চর্য্যের বিষয় হল পেটে ব্যাথা নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় চা বাগানের হাসপাতালে ভর্তি একজন রুগী তিনদিন ধরে নিখোঁজ হয়ে গেলেও লিশরিভার চা বাগানের হাসপাতাল কতৃপক্ষ বিষয়টি রুগীর পরিবার বা চা বাগান কতৃপক্ষ অথবা পুলিশের কাছে জানানোর প্রয়োজন মনে করেন নি।শুক্রবার সকালে এই অভিযোগে চা বাগান হাসপাতালের চিকিৎসক বি এস ত্রিবেদীকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন চা শ্রমিকরা।লিশরিভার চা বাগানের ম্যানেজার দেবজ্যোতি শইকিয়া হাসপাতালে ছুটে এসে শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে এলাকায় উত্তেজনা আছে। শ্রমিকদের দাবি এখানে চা বাগানের চিকিৎসকের গাফিলতি তেই এই শ্রমিকের মৃত্যু হল। আমরা মৃতের পরিবারের ক্ষতিপুরনের দাবির পাশাপাশি মৃত্যুর কারন জানতে চাই।
বাগানের শ্রমিকদের দাবি চিকিৎসকের গাফিলতিতেই এই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দুটি ছোট ছোট ছেলে মৃত শ্রমিকের রয়েছে এদের ভরন পোষনের দায়ীত্ত কে নেবে? শ্রমিকদের দাবি অবিলম্বে এই চিকিৎসকের বদলি চাই আমরা।তাছারা বাগানের হাসপাতালে এখন কোন চিকিৎসা হয় ন্স। কোন কিছু হলেই মালবাজারে রেফার করা হয়। তাছারা এই শ্রমিকের কি ভাবে মৃত্যু হল তার সঠিক তদন্ত চাই আমরা।
মালবাজার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে জলপাইগুড়ি পাঠিয়েছে ময়না তদন্তের জন্য।
মালবাজার থানার ওসি অনিন্দ ভট্টাচার্য বলন, মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের পর সঠিক কারন বোঝা যাবে কি ভাবে ওই চা শ্রমিকের মৃত্যু হল।

No comments:
Post a Comment