চাঁদনী, পাঁশকুড়া:১৬ বছর বয়সেই বিয়ে করার আবদার ।কৈশোরের উদ্দীপনা ভেবেই নাতির আবদারে গুরুত্ব দেননি দাদু। সেই অভিমানেই আত্মঘাতী হলেন কিশোর। ঘটনাটি ঘটে পাঁশকুড়া থানার মেছোগ্ৰামে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম জিৎ কাপুড়িয়া(১৬)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে জিৎ তিন মাস বয়স থেকেই দাদু ভক্তি পাত্রের কাছে থাকতো। দুজনে একসাথেই পাঁশকুড়া থেকে সবজি কিনে উলুবেড়িয়ার বাজারে সবজি বিক্রির কাজ করতো। বাবা-মায়ের বৈবাহিক সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর জিৎ খুব আদরেই দাদুর কাছে মানুষ হয় ।অল্পদিনেই ভালো ব্যবসার কাজ শিখে যায় সে। ব্যবসার সময় দাদুর বন্ধুরাই কবে বিয়ে করবি বলে মজা করতো তার সাথে । তখন থেকেই বিয়ে করার চিন্তা মাথায় চেপে বসে জিৎ এর ।গত বৃহস্পতিবার সে কাজে যেতে না চাওয়ায় রাতে দাদু একাই চলে যায়। আজ দুফুর বাড়িতে ফিরে এসে দাদু জিৎ কে ডাকাডাকি শুরু করেন। সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখেন জিৎ গলায় দড়ি নিয়ে ঝুলছে। তখনই দরজা ভেঙে প্রতিবেশীদের সাহায্যে নামানো হয় তার মৃতদেহ। খবর দেওয়া হয় পাঁশকুড়া থানায়। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে । দাদু ভক্তি পাত্র বলেন " কিছুদিন ধরেই নাতি বিয়ে জন্য বারবার অনুরোধ করছিল। চাইলেই তো আর দশদিনের মধ্যে বিয়ে দেওয়া যায়না।তাছাড়া বিয়ে দেওয়ার মতো বয়স এখনো হয়নি ওর । যে কারণে আমি গুরুত্ব দিই নি। বিয়ে না দেওয়ার কারনে নাতি যে আত্মহত্যা করবে আমি ভাবতেই পারছিনা"।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মেছোগ্ৰাম এলাকায়।পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
চাঁদনী, পাঁশকুড়া:১৬ বছর বয়সেই বিয়ে করার আবদার ।কৈশোরের উদ্দীপনা ভেবেই নাতির আবদারে গুরুত্ব দেননি দাদু। সেই অভিমানেই আত্মঘাতী হলেন কিশোর। ঘটনাটি ঘটে পাঁশকুড়া থানার মেছোগ্ৰামে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম জিৎ কাপুড়িয়া(১৬)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে জিৎ তিন মাস বয়স থেকেই দাদু ভক্তি পাত্রের কাছে থাকতো। দুজনে একসাথেই পাঁশকুড়া থেকে সবজি কিনে উলুবেড়িয়ার বাজারে সবজি বিক্রির কাজ করতো। বাবা-মায়ের বৈবাহিক সম্পর্কের বিচ্ছেদের পর জিৎ খুব আদরেই দাদুর কাছে মানুষ হয় ।অল্পদিনেই ভালো ব্যবসার কাজ শিখে যায় সে। ব্যবসার সময় দাদুর বন্ধুরাই কবে বিয়ে করবি বলে মজা করতো তার সাথে । তখন থেকেই বিয়ে করার চিন্তা মাথায় চেপে বসে জিৎ এর ।গত বৃহস্পতিবার সে কাজে যেতে না চাওয়ায় রাতে দাদু একাই চলে যায়। আজ দুফুর বাড়িতে ফিরে এসে দাদু জিৎ কে ডাকাডাকি শুরু করেন। সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখেন জিৎ গলায় দড়ি নিয়ে ঝুলছে। তখনই দরজা ভেঙে প্রতিবেশীদের সাহায্যে নামানো হয় তার মৃতদেহ। খবর দেওয়া হয় পাঁশকুড়া থানায়। পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে । দাদু ভক্তি পাত্র বলেন " কিছুদিন ধরেই নাতি বিয়ে জন্য বারবার অনুরোধ করছিল। চাইলেই তো আর দশদিনের মধ্যে বিয়ে দেওয়া যায়না।তাছাড়া বিয়ে দেওয়ার মতো বয়স এখনো হয়নি ওর । যে কারণে আমি গুরুত্ব দিই নি। বিয়ে না দেওয়ার কারনে নাতি যে আত্মহত্যা করবে আমি ভাবতেই পারছিনা"।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মেছোগ্ৰাম এলাকায়।পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য তমলুক জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

No comments:
Post a Comment