চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: বিয়ে রুখে দিয়েছে গ্রামবাসী, খুলে দিয়েছে নাবালিকার হাতের নতুন শাঁখা । আর এই ঘটনার পর যার জেরে পরের দিন বিকালে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করল এক কন্যাশ্রী । শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর থানার পীতাম্বরপুর এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , অমর্ষি বৃন্দাবনচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী সুনীতা ভক্তার সঙ্গে পাশের পাহাড়পুর গ্রামের বছর একুশের যুবক কালু ঘোড়াই এর সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় শুক্রবার। ঘটনার খবর পেয়ে পাত্রের বাড়িতে হাজির হয়ে বিয়ে রুখে দেয় ও মেয়ের হাতের শাঁখা পলা খুলে দেয় গ্রামবাসীরা ।এরপর ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকের কাজ থেকে আঠারো বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবে না মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয় ।এই ঘটনার পরদিনই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে বছর পনেরোর নাবালিকা । এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । তবে এই ঘটনায় নাবালিকার মা-বাবার কাছ থেকে কিছু উত্তর পাওয়া যায় নি । প্রতিবেশীদের অনুমান , বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় সামাজিক অপবাদ থেকে বাঁচতে আত্মহত্যা করেছে সুনীতা । নাবালিকা মেয়ের বিয়ে রুখে সমাজ সচেতনায় গ্রামবাসীদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হলেও তার মৃত্যুতে মুখে কুলুপ এঁটেছেন গ্রামবাসীরা ।তবে অনেকেই মনে করেন প্রসাশন অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিলে তবেই নাবালিকার বিয়ে বন্ধ হবে ।

No comments:
Post a Comment