ব্রাসিলিয়া, ১২ মে- পেদ্রো রড্রিগজ ফিহো। ব্রাজিলের এদো ঘিঞ্জি পরিবেশে বেড়ে ওঠা ছেলে ফিহো। ছোটোবেলা থেকেই পারিবারিক কলহ আর সমাজের বৈষম্যের ভেতর দিয়ে বড় হয়েছেন তিনি। ব্রাজিলের আর দশজন বাসিন্দার মতো তার জীবনযাপন সাধারণ ছিল না, ব্রাজিলসহ বিশ্বের সিরিয়াল কিলার তালিকায় তার নাম তাকে পৃথক করে তোলে অন্য সবার থেকে। খুন আর খুনীদের দুনিয়ায় তাকে ডাকা হতো ‘খুনী ছোটো পিটার’। তবে পৃথিবীর অন্যান্য সিরিয়াল খুনীর সঙ্গে ফিহোর কিছু পার্থক্য আছে। বেশিরভাগ সিরিয়াল কিলারদের ক্ষেত্রেই দেখা যায় তারা মানসিক বিকারগ্রস্ততা থেকে একের পর এক মানুষ খুন করেন। আর ফিহো খুন করেছেন প্রতিশোধ নিতে সেই সকল মানুষকে যারা সমাজের চোখে অপরাধী।
১৯৫৪ সালে ব্রাজিলের সান্তা রিতা দি সাপুচাইয়ের এক গৃহস্থ পরিবারে জন্মান ফিহো। জন্মগতভাবে তার মাথার খুলিতে সমস্যা ছিল। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিল যে ফিহোর মাথার ওই ত্রুটিই তাকে নিখুতভাবে খুন করতে প্ররোচিত করেছিল মানসিকভাবে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি প্রথম খুনের চেষ্টা করেন। প্রথম খুনের চেষ্টায় ব্যর্থ হলেও তিনি রক্তাক্ত পথ থেকে ফিরে আসেননি। এরপর তিনি খুন করে বসলেন আরফানস শহরের সহকারী মেয়রকে। এই মেয়রের দেয়া চোরের অপবাদের কারণে ফিহোর বাবাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি মেয়রকে খুন করেন। তবে মেয়রকে খুন করেই তিনি ক্ষান্ত দেননি। সত্যিকারের যে চোরের জন্য তার বাবাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল সেই চোরকে তিনি খুঁজে বের করে খুন করেন।
পরপর দুটো খুনের পর ফিহোর পক্ষে কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকা মুশকিল হয়ে যায়। ব্রজিলের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ঘুরে বেড়াতে থাকেন আর তার কাজ করতে থাকেন। এসময় তিনি ব্রাজিলের কুখ্যাত এক মাদক ব্যবসায়ীকে খুন করে বসেন। আর এই মাদক ব্যবসায়িকে খুন করার কারণে ফিহোর সঙ্গে যে নারী বাস করতেন তাকে খুন করে ফিহোর কাছে তার মাথা পাঠিয়ে দেয় মাদক ব্যবসায়ীর সহযোগিরা। এই ঘটনায় ফিহো আরো নিবিঢ়ভাবে খুন করতে লিপ্ত হলেন সমাজের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের। প্রতিশোধ পরায়ন ফিহোর বয়স ১৮ হওয়ার আগেই তার হাতে মোট দশজন মানুষ খুন হয়।
বেপরোয়া জীবন আর খুনের বোঝা মাথায় থাকার কারণে কোথাও স্থির হতে পারেননি ফিহো। তিনি বোধহয় নিজেও জানতেন না যে তার এই পথ-পরিক্রমার মাঝে একদিন তারই বাবা তার হাতে খুন হবেন। ফিহোর মাকে তার বাবা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করেছিল। আর সেই কারণে ফিহো তার বাবার বুক বরাবর ছুরি চালিয়ে কলিজা বের করে আনেন। শুধু তাই নয় সেই কলিজার কিছু অংশ তিনি ভক্ষণও করেছিলেন বলে ব্রাজিল পুলিশের নথিপত্র মারফত জানা যায়।
শেষমেষ ১৯৭৩ সালে রড্রিগজ ফিহো পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। প্রায় একশ জনকে খুন করার দায়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। যদিও ৭১টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রমাণ করা গিয়েছিল। ব্রাজিলের আদালত তাকে ১২৮ বছরের কারাদণ্ড দেয়। কিন্তু ব্যবহার ভালো হওয়ার কারণে এবং অন্যান্য দিক বিবেচনায় ২০০৭ সালে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। কারাগারে থাকাকালীন সময়ে সাধারণ কয়েদিদের মধ্যে ফিহো বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কারণ তিনি ছিলেন সমাজে ত্রাস সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীদের হন্তারক। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফিহোর আর কোনো অপরাধের কথা শোনা যায়নি। এমনকি তিনি এখন কোথায় বাস করছেন, নাকি মারা গেছেন তার কিছুই জানা যায়নি।
১৯৫৪ সালে ব্রাজিলের সান্তা রিতা দি সাপুচাইয়ের এক গৃহস্থ পরিবারে জন্মান ফিহো। জন্মগতভাবে তার মাথার খুলিতে সমস্যা ছিল। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিল যে ফিহোর মাথার ওই ত্রুটিই তাকে নিখুতভাবে খুন করতে প্ররোচিত করেছিল মানসিকভাবে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি প্রথম খুনের চেষ্টা করেন। প্রথম খুনের চেষ্টায় ব্যর্থ হলেও তিনি রক্তাক্ত পথ থেকে ফিরে আসেননি। এরপর তিনি খুন করে বসলেন আরফানস শহরের সহকারী মেয়রকে। এই মেয়রের দেয়া চোরের অপবাদের কারণে ফিহোর বাবাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি মেয়রকে খুন করেন। তবে মেয়রকে খুন করেই তিনি ক্ষান্ত দেননি। সত্যিকারের যে চোরের জন্য তার বাবাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল সেই চোরকে তিনি খুঁজে বের করে খুন করেন।
পরপর দুটো খুনের পর ফিহোর পক্ষে কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকা মুশকিল হয়ে যায়। ব্রজিলের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ঘুরে বেড়াতে থাকেন আর তার কাজ করতে থাকেন। এসময় তিনি ব্রাজিলের কুখ্যাত এক মাদক ব্যবসায়ীকে খুন করে বসেন। আর এই মাদক ব্যবসায়িকে খুন করার কারণে ফিহোর সঙ্গে যে নারী বাস করতেন তাকে খুন করে ফিহোর কাছে তার মাথা পাঠিয়ে দেয় মাদক ব্যবসায়ীর সহযোগিরা। এই ঘটনায় ফিহো আরো নিবিঢ়ভাবে খুন করতে লিপ্ত হলেন সমাজের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের। প্রতিশোধ পরায়ন ফিহোর বয়স ১৮ হওয়ার আগেই তার হাতে মোট দশজন মানুষ খুন হয়।
বেপরোয়া জীবন আর খুনের বোঝা মাথায় থাকার কারণে কোথাও স্থির হতে পারেননি ফিহো। তিনি বোধহয় নিজেও জানতেন না যে তার এই পথ-পরিক্রমার মাঝে একদিন তারই বাবা তার হাতে খুন হবেন। ফিহোর মাকে তার বাবা একটি ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যা করেছিল। আর সেই কারণে ফিহো তার বাবার বুক বরাবর ছুরি চালিয়ে কলিজা বের করে আনেন। শুধু তাই নয় সেই কলিজার কিছু অংশ তিনি ভক্ষণও করেছিলেন বলে ব্রাজিল পুলিশের নথিপত্র মারফত জানা যায়।
শেষমেষ ১৯৭৩ সালে রড্রিগজ ফিহো পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। প্রায় একশ জনকে খুন করার দায়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। যদিও ৭১টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রমাণ করা গিয়েছিল। ব্রাজিলের আদালত তাকে ১২৮ বছরের কারাদণ্ড দেয়। কিন্তু ব্যবহার ভালো হওয়ার কারণে এবং অন্যান্য দিক বিবেচনায় ২০০৭ সালে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। কারাগারে থাকাকালীন সময়ে সাধারণ কয়েদিদের মধ্যে ফিহো বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কারণ তিনি ছিলেন সমাজে ত্রাস সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীদের হন্তারক। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফিহোর আর কোনো অপরাধের কথা শোনা যায়নি। এমনকি তিনি এখন কোথায় বাস করছেন, নাকি মারা গেছেন তার কিছুই জানা যায়নি।
No comments:
Post a Comment