প্যারিস, ১০ এপ্রিল- অর্থের বিনিময়ে যৌনতা কিনলে, যৌনকর্মী নয়, বরং যিনি এই পরিষেবা নিচ্ছেন, তাঁর বিরুদ্ধেই নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা। এমনই একটি আইন পাস ফ্রান্সে। এই নতুন আইনে যারা কোন যৌনকর্মীর কাছ থেকে পরিষেবা নেবেন, সেই ক্রেতা বা খদ্দেরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ৩ হাজার ৭৫০ ইউরো বা প্রায় চার লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। যৌনকর্মীদের নানা সমস্যার বিষয়ে এই দণ্ডপ্রাপ্তদের বাধ্যতামূলক ক্লাসেও অংশ নিতে হবে।
তবে ফ্রান্সে থাকা ৩০ হাজারের বেশি যৌনকর্মীকে অপরাধী নয়, বরং ভুক্তভোগী হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর আগের আইনে এই ধরণের ঘটনায় যৌনকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। কিন্তু এখন কর্মীদের বিরুদ্ধে নয়, তাদের ক্রেতাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিলটির পক্ষে ভোট দেওয়া একজন সংসদ সদস্য বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই আইনের উদ্দেশ্য এটাই যাতে, যেসব যৌনকর্মীরা এই পেশা ছেড়ে যেতে চান, তারা যেন সেই সুযোগ পান। কারণ এটি মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সহায়ক হবে।
দুই বছর আগে আইনটি পাসের উদ্যোগ নেওয়া হলেও, পার্লামেন্টের দুই কক্ষের মত ভিন্নতার কারণে সেটি আলোর মুখ দেখেনি। তবে আইনের বিরুদ্ধে যৌনকর্মীদের একটি দল পার্লামেন্টের বাইরে সমাবেশ করেছে। তাদের হাতে লেখা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আমাকে মুক্ত করার দরকার নেই। আমি নিজেই নিজের দেখভাল করতে পারবো।’
তবে ফ্রান্সে থাকা ৩০ হাজারের বেশি যৌনকর্মীকে অপরাধী নয়, বরং ভুক্তভোগী হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর আগের আইনে এই ধরণের ঘটনায় যৌনকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। কিন্তু এখন কর্মীদের বিরুদ্ধে নয়, তাদের ক্রেতাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিলটির পক্ষে ভোট দেওয়া একজন সংসদ সদস্য বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই আইনের উদ্দেশ্য এটাই যাতে, যেসব যৌনকর্মীরা এই পেশা ছেড়ে যেতে চান, তারা যেন সেই সুযোগ পান। কারণ এটি মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে সহায়ক হবে।
দুই বছর আগে আইনটি পাসের উদ্যোগ নেওয়া হলেও, পার্লামেন্টের দুই কক্ষের মত ভিন্নতার কারণে সেটি আলোর মুখ দেখেনি। তবে আইনের বিরুদ্ধে যৌনকর্মীদের একটি দল পার্লামেন্টের বাইরে সমাবেশ করেছে। তাদের হাতে লেখা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আমাকে মুক্ত করার দরকার নেই। আমি নিজেই নিজের দেখভাল করতে পারবো।’
No comments:
Post a Comment