পৃথিবীতে এমন কিছু রোগ রয়েছে যার সঠিক ঔষধ এখনও তৈরি করা সম্ভব হয়নি। আবার এখনও প্রায়ই নিত্যনতুন সব রোগের খবর শোনা যায়। কিছুদিন আগে বৃক্ষমানব সম্পর্কে জানা গেল। এখন আবার এই হাতি রোগ। আমাদের দেশে গোদ রোগ নামে পরিচিত এই ‘এলিফিন্টিয়াসিস’।
ছোট্ট একটি মশা এই রোগের বাহক। এটি শরীরে ছোটকাল থেকে বাসা বাঁধলেও নির্দিষ্ট একটি বয়সে পৌঁছানোর পর এটি শরীরের উপরিস্তরে প্রভাব ফেলা শুরু করে। প্রথমে পায়ে একটি ইনফেকশনের মত দেখা গেলেও পরবর্তীতে তা ধীরে ধীরে বিশালাকার ধারণ করে। এরপর পা ফুলে হাতির পায়ের সদৃশ হতে থাকে। গোদ রোগের কোন চিকিৎসা এতকাল ছিল না। তবে এখন ব্রাজিলের একটি ক্লিনিকে এই রোগের চিকিৎসা আবিষ্কার করা হয়েছে।
এনিমেল প্ল্যানেট টিভি চ্যানেলে গতকাল রাতে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। যেখানে দেখা যায় একজন গোদ রোগীর চিকিৎসা করানো হচ্ছে। ব্রাজিলের এই নাগরিকের নাম রাইমুন্ডু।
আরও দুই যুগ আগে থেকে তিনি এই রোগে আক্রান্ত। কিন্তু তিনি কোন চিকিৎসা করেন নি। এতে তার পা অস্বাভাবিক হারে ফুলে যায়। এই রোগে কিডনি ও লিম্ফ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তার এত বড় কোন ক্ষতি হয়নি। তাকে ব্রাজিলের কিউনিকা গোদ ক্লিনিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। তার গোদের সমস্যা আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।
তবে গোদ রোগ ধরা পড়ার সাথে সাথে চিকিৎসা করানো হলে তা খুব দ্রুত সেরে যায়। নাহলে পরবর্তীতে জীবনের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া যায় না।–সুত্র: মেট্রো।
ছোট্ট একটি মশা এই রোগের বাহক। এটি শরীরে ছোটকাল থেকে বাসা বাঁধলেও নির্দিষ্ট একটি বয়সে পৌঁছানোর পর এটি শরীরের উপরিস্তরে প্রভাব ফেলা শুরু করে। প্রথমে পায়ে একটি ইনফেকশনের মত দেখা গেলেও পরবর্তীতে তা ধীরে ধীরে বিশালাকার ধারণ করে। এরপর পা ফুলে হাতির পায়ের সদৃশ হতে থাকে। গোদ রোগের কোন চিকিৎসা এতকাল ছিল না। তবে এখন ব্রাজিলের একটি ক্লিনিকে এই রোগের চিকিৎসা আবিষ্কার করা হয়েছে।
এনিমেল প্ল্যানেট টিভি চ্যানেলে গতকাল রাতে একটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। যেখানে দেখা যায় একজন গোদ রোগীর চিকিৎসা করানো হচ্ছে। ব্রাজিলের এই নাগরিকের নাম রাইমুন্ডু।
আরও দুই যুগ আগে থেকে তিনি এই রোগে আক্রান্ত। কিন্তু তিনি কোন চিকিৎসা করেন নি। এতে তার পা অস্বাভাবিক হারে ফুলে যায়। এই রোগে কিডনি ও লিম্ফ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তার এত বড় কোন ক্ষতি হয়নি। তাকে ব্রাজিলের কিউনিকা গোদ ক্লিনিকে চিকিৎসা করানো হচ্ছে। তার গোদের সমস্যা আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।
তবে গোদ রোগ ধরা পড়ার সাথে সাথে চিকিৎসা করানো হলে তা খুব দ্রুত সেরে যায়। নাহলে পরবর্তীতে জীবনের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া যায় না।–সুত্র: মেট্রো।
No comments:
Post a Comment